✍️ সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা ভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-২/৩):
💡 ১. ট্রপিক চলন ও ন্যাস্টিক চলন –এর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো ।
✔️ উত্তর: ট্রপিক চলন ও ন্যাস্টিক চলন –এর মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য হলো:
✔️ উত্তর: ট্রপিক চলন ও ন্যাস্টিক চলন –এর মধ্যে দুটি প্রধান পার্থক্য হলো:
- উদ্দীপনার প্রকৃতি: ট্রপিক চলন উদ্দীপকের গতিপথ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, কিন্তু ন্যাস্টিক চলন উদ্দীপকের তীব্রতা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- হরমোনের প্রভাব: ট্রপিক চলনে অক্সিন হরমোনের প্রভাব রয়েছে, অন্যদিকে ন্যাস্টিক চলনে অক্সিন হরমোনের কোনো প্রভাব নেই।
💡 ২. মানবদেহে জনন গ্রন্থি থেকে হরমোন ক্ষরণে GTH –এর ভূমিকা লেখো ।
✔️ উত্তর: মানবদেহে জনন গ্রন্থি থেকে হরমোন ক্ষরণে GTH (গোনাডোট্রপিক হরমোন)-এর ভূমিকা নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: মানবদেহে জনন গ্রন্থি থেকে হরমোন ক্ষরণে GTH (গোনাডোট্রপিক হরমোন)-এর ভূমিকা নিচে দেওয়া হলো:
- FSH: স্ত্রীদেহে ডিম্বাশয়ের ডিম্বথলির বৃদ্ধিতে এবং ইস্ট্রোজেন হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে।
- LH: পীতগ্রন্থি থেকে প্রোজেস্টেরন হরমোন ক্ষরণে সাহায্য করে।
- ICSH: পুরুষদেহে শুক্রাশয়ের লিডিগের আন্তর কোশ থেকে টেস্টোস্টেরন হরমোন ক্ষরণে উদ্দীপনা জোগায়।
- LTH: মাতৃদেহে স্তন দুগ্ধ উৎপাদন ও ক্ষরণকে উদ্দীপিত করে।
💡 ৩. নিম্নলিখিত ক্রিয়াগুলির মধ্যে কোনগুলি সহজাত বা কোনগুলি অর্জিত প্রতিবর্ত ক্রিয়া তা তালিকাভুক্ত কর – সদ্যোজাতের স্তন্যপানের ইচ্ছা, সাইকেল চালানো, হাঁচি, ক্ষিপ্রতার সঙ্গে উইকেট কিপারের বল ধরা।
✔️ উত্তর: প্রদত্ত ক্রিয়াগুলির তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: প্রদত্ত ক্রিয়াগুলির তালিকা নিচে দেওয়া হলো:
- সহজাত প্রতিবর্ত ক্রিয়া: সদ্যোজাতের স্তন্যপানের ইচ্ছা এবং হাঁচি।
- অর্জিত প্রতিবর্ত ক্রিয়া: সাইকেল চালানো এবং ক্ষিপ্রতার সঙ্গে উইকেট কিপারের বল ধরা।
💡 ৪. কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ও প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র –এর অংশগুলি লেখো ।
✔️ উত্তর: কেন্দ্রীয় ও প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্রের অংশগুলি হলো:
✔️ উত্তর: কেন্দ্রীয় ও প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্রের অংশগুলি হলো:
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র: এটি প্রধানত মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ড নিয়ে গঠিত।
- প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র: এটি ১২ জোড়া করোটিয় স্নায়ু ও ৩১ জোড়া সুষুম্নীয় স্নায়ু নিয়ে গঠিত।
💡 ৫. কোশচক্রের দুটি গুরুত্ব লেখো ।
✔️ উত্তর: কোশচক্রের দুটি প্রধান গুরুত্ব হলো:
✔️ উত্তর: কোশচক্রের দুটি প্রধান গুরুত্ব হলো:
- কোশচক্রের নির্দিষ্ট নিয়ন্ত্রণ বিন্দুগুলি বিনষ্ট হলে কোশ বিভাজন অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়ে, যা টিউমার ও ক্যান্সার সৃষ্টির কারণ হতে পারে। কোশচক্র এই বিভাজনকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোশচক্রের মাধ্যমে কোশের বিভিন্ন উপাদানের গুণগত ও পরিমাণগত মান বজায় থাকে, যা কোশের বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
💡 ৬. নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে DNA ও RNA –এর মধ্যে পার্থক্য নিরূপন কর – পিরিমিডিন ক্ষারক, 5-C যুক্ত শর্করা।
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে DNA ও RNA-এর পার্থক্য হলো:
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে DNA ও RNA-এর পার্থক্য হলো:
- পিরিমিডিন ক্ষারক: DNA-তে পিরিমিডিন ক্ষারক হিসেবে থাইমিন (T) ও সাইটোসিন (C) থাকে। অন্যদিকে, RNA-তে সাইটোসিন (C) ও ইউরাসিল (U) থাকে।
- 5-C যুক্ত শর্করা: DNA-তে ৫-কার্বনযুক্ত ডি-অক্সিরাইবোজ শর্করা থাকে, কিন্তু RNA-তে রাইবোজ শর্করা থাকে।
💡 ৭. কোন কোন বাহক নিচের উদ্ভিদগুলিতে পরাগযোগ সম্পন্ন করে – ধান, পাতাজাঁঝি, শিমূল, আম।
✔️ উত্তর: উদ্ভিদ ও তাদের পরাগযোগের বাহকগুলির নাম হলো:
✔️ উত্তর: উদ্ভিদ ও তাদের পরাগযোগের বাহকগুলির নাম হলো:
- ধান: বায়ু
- পাতাজাঁঝি: জল
- শিমূল: পাখি
- আম: পতঙ্গ
💡 ৮. সংকরায়নের পরীক্ষায় কীভাবে প্রকট গুণ প্রকাশিত হয় তা উদাহরণের সাহায্যে লেখো ।
✔️ উত্তর: দুটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের মধ্যে সংকরায়ন ঘটালে প্রথম অপত্য জনুতে (F1) যে বৈশিষ্ট্যটি আত্মপ্রকাশ করে, তাকে প্রকট গুণ বলে।
✔️ উত্তর: দুটি বিপরীত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন জীবের মধ্যে সংকরায়ন ঘটালে প্রথম অপত্য জনুতে (F1) যে বৈশিষ্ট্যটি আত্মপ্রকাশ করে, তাকে প্রকট গুণ বলে।
- উদাহরণ: একটি বিশুদ্ধ লম্বা (TT) মটর গাছের সঙ্গে একটি বিশুদ্ধ বেঁটে (tt) মটর গাছের সংকরায়ন ঘটালে প্রথম অপত্য জনুতে (F1) সব গাছই লম্বা (Tt) হয়। এখানে লম্বা গুণটি প্রকাশিত হওয়ায় এটি একটি প্রকট বৈশিষ্ট্য।
💡 ৯. অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে এক সংকরায়ন পরীক্ষায় F2 – জনুতে ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপ এর অনুপাত কী হবে ?
✔️ উত্তর: অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে এক সংকরায়ন পরীক্ষায় F2 জনুর অনুপাত হবে:
✔️ উত্তর: অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে এক সংকরায়ন পরীক্ষায় F2 জনুর অনুপাত হবে:
- ফিনোটাইপ অনুপাত: ১ : ২ : ১
- জিনোটাইপ অনুপাত: ১ : ২ : ১
💡 ১০. বর্ণান্ধতার কীভাবে বংশগত সঞ্চরণ ঘটে তা একটি ক্রশের সাহায্যে দেখাও ।
✔️ উত্তর: বর্ণান্ধতার জিনের বংশগত সঞ্চরণ পিতা ও মাতার ক্রোমোজোম বিন্যাসের ওপর নির্ভর করে। একজন বাহক বা আক্রান্ত মাতা এবং স্বাভাবিক বা বর্ণান্ধ পিতার জিনের মিলনের ফলে অপত্য সন্তানে বর্ণান্ধতার জিন সঞ্চারিত হয়।
✔️ উত্তর: বর্ণান্ধতার জিনের বংশগত সঞ্চরণ পিতা ও মাতার ক্রোমোজোম বিন্যাসের ওপর নির্ভর করে। একজন বাহক বা আক্রান্ত মাতা এবং স্বাভাবিক বা বর্ণান্ধ পিতার জিনের মিলনের ফলে অপত্য সন্তানে বর্ণান্ধতার জিন সঞ্চারিত হয়।
💡 ১১. জীবনের রাসায়নিক উৎপত্তি সংক্রান্ত মিলার ও উরে –এর পরীক্ষায় ব্যবহৃত বিক্রিয়কগুলি এবং উৎপন্ন একটি জৈব যৌগের নাম লেখো ।
✔️ উত্তর: মিলার ও উরে-এর পরীক্ষায় উপাদানগুলি হলো:
✔️ উত্তর: মিলার ও উরে-এর পরীক্ষায় উপাদানগুলি হলো:
- ব্যবহৃত বিক্রিয়ক: মিথেন, অ্যামোনিয়া, হাইড্রোজেন এবং জলীয় বাষ্প।
- উৎপন্ন একটি জৈব যৌগ: গ্লাইসিন (একটি অ্যামিনো অ্যাসিড)।
💡 ১২. ঘোড়ার বিবর্তনের চারটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য লেখো যা পরিবর্তিত হয়েছে ।
✔️ উত্তর: ঘোড়ার বিবর্তনে পরিবর্তিত হওয়া চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
✔️ উত্তর: ঘোড়ার বিবর্তনে পরিবর্তিত হওয়া চারটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
- দ্রুত দৌড়ানোর জন্য অগ্রপদ ও পশ্চাদপদের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পেয়েছে।
- শক্ত মাটিতে দৌড়ানোর সুবিধার্থে পায়ের আঙুল খুরে রূপান্তরিত হয়েছে।
- পায়ের ৩ নং আঙুলের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ঘটেছে।
- উভয় পদের বাকি আঙুলের সংখ্যা ক্রমশ হ্রাস পেয়েছে।
💡 ১৩. সুন্দরী গাছ তার দেহের অতিরিক্ত লবণ কীভাবে রেচিত করে ?
✔️ উত্তর: সুন্দরী গাছ নিম্নলিখিত উপায়ে দেহের অতিরিক্ত লবণ বর্জন করে:
✔️ উত্তর: সুন্দরী গাছ নিম্নলিখিত উপায়ে দেহের অতিরিক্ত লবণ বর্জন করে:
- শোষিত অতিরিক্ত লবণ পাতার কোষে সঞ্চিত করে এবং পরে লবণ গ্রন্থির মাধ্যমে তা বাইরে বের করে দেয়।
- বাকল মোচন বা ছাল ত্যাগের মাধ্যমে কান্ডে জমে থাকা অতিরিক্ত লবণ অপসারিত করে।
- এছাড়া মূলের পুরু ত্বকের মাধ্যমে অতিরিক্ত লবণ শোষণ প্রতিরোধ করে কিংবা মূলের মাধ্যমে তা বর্জন করে।
💡 ১৪. জীবজ নাইট্রোজেন আবদ্ধকরণ পদ্ধতিতে অংশগ্রহণকারী দুটি জীবাণুর নাম লেখো ।
✔️ উত্তর: জীবজ নাইট্রোজেন আবদ্ধকরণে সাহায্যকারী দুটি স্বাধীনজীবী জীবাণুর নাম হলো অ্যাজোটোব্যাকটর এবং ক্লস্ট্রিডিয়াম।
✔️ উত্তর: জীবজ নাইট্রোজেন আবদ্ধকরণে সাহায্যকারী দুটি স্বাধীনজীবী জীবাণুর নাম হলো অ্যাজোটোব্যাকটর এবং ক্লস্ট্রিডিয়াম।
💡 ১৫. অ্যাসিড বৃষ্টিজাত দুটি ক্ষতি উল্লেখ কর ।
✔️ উত্তর: অ্যাসিড বৃষ্টির দুটি ক্ষতিকর প্রভাব হলো:
✔️ উত্তর: অ্যাসিড বৃষ্টির দুটি ক্ষতিকর প্রভাব হলো:
- মাটির অম্লতা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে জমির স্বাভাবিক উর্বরতা শক্তি নষ্ট হয়ে যায়।
- জলাশয়ের জল অম্লীয় হয়ে ওঠায় মাছ এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়।
💡 ১৬. পৃথিবীর উষ্ণায়নের ফলে জীব বৈচিত্র্যের যে ক্ষতি হচ্ছে তার চারটি উদাহরণ দাও ।
✔️ উত্তর: বিশ্ব উষ্ণায়নের (Global Warming) কারণে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির চারটি উদাহরণ:
✔️ উত্তর: বিশ্ব উষ্ণায়নের (Global Warming) কারণে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির চারটি উদাহরণ:
- মেরু ভাল্লুক: মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাওয়ার কারণে এদের প্রাকৃতিক বাসস্থান ধ্বংস হচ্ছে।
- পঙ্গুইন: বরফ ক্রমাগত গলার ফলে এদের প্রজনন ও বসবাসের উপযুক্ত স্থানের অভাব ঘটছে।
- সামুদ্রিক মাছ: সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে বহু সামুদ্রিক মাছের জীবন বিপন্ন হচ্ছে।
- সুন্দরবন: সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনের অনেক নিচু দ্বীপ জলের নিচে তলিয়ে যাচ্ছে।
💡 ১৭. পিপলস বায়োডাইভারসিটি রেজিস্টার (PBR) –এর জীব বৈচিত্র সংক্রান্ত যে প্রধান বিষয়গুলি লিপিবদ্ধ করা হয় তা লেখ ।
✔️ উত্তর: PBR-এ মূলত যে বিষয়গুলি লিপিবদ্ধ করা হয় তা হলো:
✔️ উত্তর: PBR-এ মূলত যে বিষয়গুলি লিপিবদ্ধ করা হয় তা হলো:
- স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সঠিক ধারণা, যার ওপর ভিত্তি করে বিপন্ন জীব সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যায়।
- স্থানীয় সাধারণ মানুষকে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের ব্যাপারে সচেতন করা এবং তাদের এই কাজে অংশীদার করে তোলা।
- স্থানীয় বিভিন্ন প্রজাতি সম্পর্কে ঐতিহ্যবাহী পরম্পরাগত জ্ঞান এবং লোকবিশ্বাসের তথ্য সংগ্রহ করে রাখা।
💡 ১৮. দরজায় ঘণ্টা বাজার শব্দ শুনে তুমি যেভাবে দরজা খুলবে, সেই স্নায়ুবিক পথটি একটি শব্দ ছকের মাধ্যমে দেখাও।
✔️ উত্তর: স্নায়ুবিক উদ্দীপনা প্রবাহের শব্দ ছকটি নিচে দেওয়া হলো:
দরজায় বেল বাজল \(\rightarrow \) কান উদ্দীপনা গ্রহণ করল \(\rightarrow \) সংজ্ঞাবহ স্নায়ু উদ্দীপনা মস্তিষ্কে পাঠাল \(\rightarrow \) মস্তিষ্ক সিদ্ধান্ত নিল \(\rightarrow \) আজ্ঞাবহ স্নায়ু পেশিতে উদ্দীপনা ছড়াল \(\rightarrow \) আমি দরজা খুললাম।
✔️ উত্তর: স্নায়ুবিক উদ্দীপনা প্রবাহের শব্দ ছকটি নিচে দেওয়া হলো:
দরজায় বেল বাজল \(\rightarrow \) কান উদ্দীপনা গ্রহণ করল \(\rightarrow \) সংজ্ঞাবহ স্নায়ু উদ্দীপনা মস্তিষ্কে পাঠাল \(\rightarrow \) মস্তিষ্ক সিদ্ধান্ত নিল \(\rightarrow \) আজ্ঞাবহ স্নায়ু পেশিতে উদ্দীপনা ছড়াল \(\rightarrow \) আমি দরজা খুললাম।
💡 ১৯. মেনিনজেস ও CSF এর অবস্থান বিবৃত করো।
✔️ উত্তর: মেনিনজেস ও CSF-এর অবস্থান নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: মেনিনজেস ও CSF-এর অবস্থান নিচে দেওয়া হলো:
- মেনিনজেস: এটি মস্তিষ্ক ও সুষুম্নাকাণ্ডের বাইরে অবস্থিত একটি প্রতিরক্ষামূলক তন্তুময় পর্দা।
- CSF (সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইড): এটি মস্তিষ্কের বিভিন্ন প্রকোষ্ঠে, মেনিনজেসের সাব-অ্যারাকনয়েড স্পেসে এবং সুষুম্নাকাণ্ডের কেন্দ্রীয় নালীর ভিতরে অবস্থান করে।
💡 ২০. উদ্ভিদের বীজ ও পর্বমধ্যের ওপর জিব্বোরেলিন হরমোন কী কী প্রভাব ফেলে তা ব্যাখ্যা করো।
✔️ উত্তর: বীজ ও পর্বমধ্যের ওপর জিব্বোরেলিন হরমোনের প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: বীজ ও পর্বমধ্যের ওপর জিব্বোরেলিন হরমোনের প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
- বীজের ওপর: জিব্বোরেলিন হরমোন বীজের সুপ্তাবস্থা দূর করে এবং অনুকূল পরিবেশে বীজের দ্রুত অঙ্কুরোদগম ঘটায়।
- পর্বমধ্যের ওপর: এই হরমোন উদ্ভিদের কাণ্ডের পর্বমধ্যগুলির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে কাণ্ডকে স্বাভাবিকভাবে লম্বা হতে সাহায্য করে।
💡 ২১. অক্ষিগোলকের বিভিন্ন প্রতিসারক মাধ্যমগুলির নাম ক্রমানুসারে লেখ।
✔️ উত্তর: আলোকরশ্মি চোখের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশের সময় ক্রমানুসারে যে প্রতিসারক মাধ্যমগুলি অতিক্রম করে তা হলো: কর্নিয়া \(\rightarrow \) অ্যাকোয়াস হিউমর \(\rightarrow \) লেন্স \(\rightarrow \) ভিট্রিয়াস হিউমর।
✔️ উত্তর: আলোকরশ্মি চোখের বাইরে থেকে ভেতরে প্রবেশের সময় ক্রমানুসারে যে প্রতিসারক মাধ্যমগুলি অতিক্রম করে তা হলো: কর্নিয়া \(\rightarrow \) অ্যাকোয়াস হিউমর \(\rightarrow \) লেন্স \(\rightarrow \) ভিট্রিয়াস হিউমর।
💡 ২২. মিয়োসিস কোশ বিভাজনের সময় ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস ও ক্রোমাটিড এর মধ্যে খণ্ড বিনিময় ঘটে — এই ঘটনা দুটির তাৎপর্য কী কী তা বিশ্লেষণ করো।
✔️ উত্তর: ঘটনা দুটির প্রধান তাৎপর্য নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: ঘটনা দুটির প্রধান তাৎপর্য নিচে দেওয়া হলো:
- ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস: এর ফলে উৎপন্ন জনন কোষে (শুক্রাণু ও ডিম্বাণু) ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের অর্ধেক হয়ে যায়, যা জীবের জীবনচক্রে প্রজাতির নির্দিষ্ট ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখতে সাহায্য করে।
- খণ্ড বিনিময় (ক্রসিং ওভার): এর ফলে ক্রোমোজোমে নতুন জিনগত পুনর্বিন্যাস ঘটে, যা অপত্য জীবের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্যের বা প্রকরণের (variation) সৃষ্টি করে।
💡 ২৩. অযৌন ও যৌন জনন এর মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পার্থক্য নিরূপণ করো : (অ) জনিতৃ জীবের সংখ্যা, (আ) অপত্য জনুর প্রকৃতি।
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
- জনিতৃ জীবের সংখ্যা: অযৌন জননে মাত্র একটি জনিতৃ জীবের প্রয়োজন হয়, কিন্তু যৌন জননে সাধারণত দুটি (পুরুষ ও স্ত্রী) ভিন্ন জনিতৃ জীবের প্রয়োজন ঘটে।
- অপত্য জনুর প্রকৃতি: অযৌন জননে কোনো প্রকরণ বা ভেদ ঘটে না বলে অপত্য জীব হুবহু জনিতৃ জীবের অনুরূপ হয়। অন্যদিকে, যৌন জননে প্রকরণ সৃষ্টির ফলে অপত্য জীবের মধ্যে যথেষ্ট বৈচিত্র্য লক্ষ্য করা যায়।
💡 ২৪. নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে মাইটোসিস কোশ বিভাজনের ক্যারিওকাইনেসিস এর দশাগুলি শনাক্ত করো :
(ক) ক্রোমোজোমগুলির কোশের বিষুব অঞ্চল বরাবর অবস্থান ও নির্দিষ্ট নিয়মে সজ্জা ;
(খ) বেমতন্তুর বিলুপ্তি ;
(গ) নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস এর বিলুপ্তি ;
(ঘ) অপত্য ক্রোমোজোম এর কোশের বিপরীত মেরুতে গমন ।
✔️ উত্তর: বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ক্যারিওকাইনেসিসের দশাগুলি হলো:
(ক) ক্রোমোজোমগুলির কোশের বিষুব অঞ্চল বরাবর অবস্থান ও নির্দিষ্ট নিয়মে সজ্জা ;
(খ) বেমতন্তুর বিলুপ্তি ;
(গ) নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাস এর বিলুপ্তি ;
(ঘ) অপত্য ক্রোমোজোম এর কোশের বিপরীত মেরুতে গমন ।
✔️ উত্তর: বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী ক্যারিওকাইনেসিসের দশাগুলি হলো:
- (ক) বিষুব অঞ্চলে ক্রোমোজোমের সজ্জা \(\rightarrow \) মেটাফেজ দশা (দ্বিতীয় দশা)।
- (খ) বেমতন্তুর বিলুপ্তি \(\rightarrow \) টেলোফেজ দশা (শেষ দশা)।
- (গ) নিউক্লিয় পর্দা ও নিউক্লিওলাসের বিলুপ্তি \(\rightarrow \) প্রোফেজ দশা (প্রথম দশা)।
- (ঘ) বিপরীত মেরুতে অপত্য ক্রোমোজোমের গমন \(\rightarrow \) অ্যানাফেজ দশা (তৃতীয় দশা)।
💡 ২৫. মটর গাছের ক্ষেত্রে পৃথকীভবন সূত্র প্রতিষ্ঠা করার জন্য তোমাকে বৈশিষ্ট্য নির্বাচন করতে বলা হলো। এরকম বিপরীত বৈশিষ্ট্যের নাম লেখ।
✔️ উত্তর: মটর গাছের দুটি বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের জোড় নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: মটর গাছের দুটি বিপরীতধর্মী বৈশিষ্ট্যের জোড় নিচে দেওয়া হলো:
- দৈর্ঘ্য চরিত্রের সাপেক্ষে: লম্বা ও বেঁটে।
- ফুলের রঙ চরিত্রের সাপেক্ষে: বেগুনি ও সাদা।
💡 ২৬. একজন বর্ণান্ধ রোগের বাহক মহিলা, একজন বর্ণান্ধ পুরুষকে বিবাহ করল। তাদের একটি কন্যা সন্তান হলো। এই কন্যা সন্তানের বর্ণান্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কতটা তা বিশ্লেষণ করে লেখ।
✔️ উত্তর: প্রশ্নানুযায়ী, বর্ণান্ধ জিনের বাহক মহিলার জিনোটাইপ \(X'X\) এবং বর্ণান্ধ পুরুষের জিনোটাইপ \(X'Y\) (যেখানে \(X^{\prime }\) হলো বর্ণান্ধতার জিন)। এদের মিলনে কন্যা সন্তানদের ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাবনা তৈরি হবে— \(X'X'\) (আক্রান্ত বা বর্ণান্ধ কন্যা) এবং \(X'X\) (বাহক কন্যা)। সুতরাং, উৎপন্ন হওয়া নির্দিষ্ট সেই কন্যা সন্তানটির বর্ণান্ধ হওয়ার সম্ভাবনা ৫০% এবং তার বর্ণান্ধতার জিন বাহক হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%।
✔️ উত্তর: প্রশ্নানুযায়ী, বর্ণান্ধ জিনের বাহক মহিলার জিনোটাইপ \(X'X\) এবং বর্ণান্ধ পুরুষের জিনোটাইপ \(X'Y\) (যেখানে \(X^{\prime }\) হলো বর্ণান্ধতার জিন)। এদের মিলনে কন্যা সন্তানদের ক্ষেত্রে দুটি সম্ভাবনা তৈরি হবে— \(X'X'\) (আক্রান্ত বা বর্ণান্ধ কন্যা) এবং \(X'X\) (বাহক কন্যা)। সুতরাং, উৎপন্ন হওয়া নির্দিষ্ট সেই কন্যা সন্তানটির বর্ণান্ধ হওয়ার সম্ভাবনা ৫০% এবং তার বর্ণান্ধতার জিন বাহক হওয়ার সম্ভাবনা ১০০%।
💡 ২৭. মানুষের জনগোষ্ঠীতে প্রকাশিত হয় এমন দুটি জিনগত রোগের নাম লেখ।
✔️ উত্তর: মানুষের জনগোষ্ঠীতে দেখা যায় এমন দুটি সাধারণ জিনগত রোগ হলো থ্যালাসেমিয়া এবং হিমোফিলিয়া।
✔️ উত্তর: মানুষের জনগোষ্ঠীতে দেখা যায় এমন দুটি সাধারণ জিনগত রোগ হলো থ্যালাসেমিয়া এবং হিমোফিলিয়া।
💡 ২৮. ‘বাঘ বিলুপ্ত হয়ে গেছে অথচ হরিণ প্রচুর আছে। এমন একটি জঙ্গলে অন্য অভয়ারণ্য থেকে এনে কয়েকটি বাঘ ছাড়া হল‘— বেঁচে থাকতে গিয়ে ওই বাঘেদের যে যে জীবন সংগ্রামে লিপ্ত থাকতে হবে তা ভেবে লেখ।
✔️ উত্তর: নতুন জঙ্গলে মানিয়ে নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য বাঘেদের মূলত দুই ধরণের জীবন সংগ্রামে লিপ্ত হতে হবে:
✔️ উত্তর: নতুন জঙ্গলে মানিয়ে নিয়ে বেঁচে থাকার জন্য বাঘেদের মূলত দুই ধরণের জীবন সংগ্রামে লিপ্ত হতে হবে:
- অন্তঃপ্রজাতি সংগ্রাম: সীমিত বাসস্থান, সীমিত সঙ্গী এবং নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য বাঘেদের নিজেদের প্রজাতির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে লড়াই বা প্রতিযোগিতা করতে হবে।
- আন্তঃপ্রজাতি সংগ্রাম: নিজেদের প্রধান খাদ্য যেমন হরিণ বা অন্য প্রজাতির শিকার ধরার জন্য প্রতিনিয়ত প্রচেষ্টা বা প্রতিযোগিতা চালিয়ে যেতে হবে।
💡 ২৯. লবণ সহনের জন্য সুন্দরী গাছের যেকোনো দুটি অভিযোজন বর্ণনা করো।
✔️ উত্তর: লবণাক্ত মাটিতে টিকে থাকার জন্য সুন্দরী গাছের দুটি অভিযোজন নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: লবণাক্ত মাটিতে টিকে থাকার জন্য সুন্দরী গাছের দুটি অভিযোজন নিচে দেওয়া হলো:
- মূলের অভিযোজন (শ্বাসনমূল): কাদা মাটিতে অক্সিজেনের অভাব থাকায় উদ্ভিদের কিছু শাখা মূল অভিকর্ষের বিপরীতে মাটির ওপরে উঠে আসে। এদের শ্বাসনমূল বলে, যা বাতাস থেকে সরাসরি অক্সিজেন গ্রহণ করে।
- পাতার অভিযোজন: জলীয় ভাব ধরে রাখার জন্য এবং অতিরিক্ত বাষ্পমোচন রোধ করতে সুন্দরী গাছের পাতার ওপর মোমের একধরণের পুরু প্রলেপ থাকে।
💡 ৩০. শিম্পাঞ্জিরা খাবার জন্য কীভাবে উইপোকা শিকার করে তা ব্যাখ্যা করো।
✔️ উত্তর: শিম্পাঞ্জিরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান পদ্ধতিতে উইপোকা শিকার করে:
✔️ উত্তর: শিম্পাঞ্জিরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান পদ্ধতিতে উইপোকা শিকার করে:
- প্রথমে তারা গাছের একটি ডাল ভেঙে নেয় এবং তার পাতাগুলি ছিঁড়ে ফেলে একটি কাঠি বা সরু ডাল তৈরি করে।
- কাঠিটি তারা উইঢিপির গর্তের মধ্যে প্রবেশ করায়। গর্ত থেকে কাঠিটি বের করার সময় কাঠির গায়ে লেগে থাকা উইপোকাগুলিকে তারা খাবার হিসেবে গ্রহণ করে।
💡 ৩১. নিম্নলিখিত দূষকগুলির ক্ষতিকারক প্রভাব তালিকাভুক্ত কর : (ক) গ্রীনহাউস গ্যাস, (খ) S P M, (গ) কৃষি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত রাসায়নিক সার, (ঘ) অভঙ্গুর রাসায়নিক কীটনাশক।
✔️ উত্তর: প্রদত্ত দূষকগুলির ক্ষতিকর প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: প্রদত্ত দূষকগুলির ক্ষতিকর প্রভাব নিচে দেওয়া হলো:
- (ক) গ্রীনহাউস গ্যাস: বায়ুমণ্ডলের তাপ বিকিরণে বাধা দিয়ে পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়িয়ে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) ঘটায়।
- (খ) S P M: শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে কাশি, হাঁপানি এবং মানুষের হৃদরোগের সৃষ্টি করে।
- (গ) রাসায়নিক সার: মাটির স্বাভাবিক উর্বরতা শক্তি নষ্ট করে এবং মাটিতে থাকা উপকারী জীবদের ধ্বংস করে।
- (ঘ) অভঙ্গুর কীটনাশক: মাটিতে দীর্ঘকাল জমে থেকে মাটির অম্লতা বৃদ্ধি করে এবং জমিকে বন্ধ্যা বা অনুর্বর করে তোলে।
💡 ৩২. জলজ ও স্থলজ বাস্তুতন্ত্রে অবস্থিত স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ক্ষতিসাধন করে এমন একটি করে বহিরাগত প্রজাতির উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতিসাধনকারী দুটি বহিরাগত প্রজাতি হলো:
✔️ উত্তর: স্থানীয় বাস্তুতন্ত্রের ক্ষতিসাধনকারী দুটি বহিরাগত প্রজাতি হলো:
- জলজ বাস্তুতন্ত্রে: আফ্রিকান মাগুর বা হাইব্রিড মাগুর মাছ।
- স্থলজ বাস্তুতন্ত্রে: ইউক্যালিপটাস গাছ।
💡 ৩৩. একটি বিপন্ন সরীসৃপ প্রজাতির সংরক্ষণের জন্য ইন–সিটু সংরক্ষণ ব্যবস্থাগুলি লেখ এবং পশ্চিমবঙ্গে অবস্থিত এরকম একটি সংরক্ষণ স্থানের নাম লেখ।
✔️ উত্তর: একটি বিপন্ন সরীসৃপ প্রজাতি হলো কুমির। কুমির সংরক্ষণের ইন-সিটু ব্যবস্থা ও সংরক্ষণাগার:
✔️ উত্তর: একটি বিপন্ন সরীসৃপ প্রজাতি হলো কুমির। কুমির সংরক্ষণের ইন-সিটু ব্যবস্থা ও সংরক্ষণাগার:
- সংরক্ষণ ব্যবস্থা: ভারত সরকার 'কুমির প্রজনন ও পরিচালন প্রকল্প' গ্রহণ করে এর কৃত্রিম প্রজনন ও পুনর্বাসন কেন্দ্র গড়ে তুলেছে।
- পশ্চিমবঙ্গের সংরক্ষণ স্থান: সুন্দরবন ন্যাশনাল পার্ক বা ভগবতপুর কুমির প্রকল্প।
💡 ৩৪. “চোরাশিকার ভারতের প্রাণীর বৈচিত্র্যের বিপন্নতার একটি প্রধান কারণ “—-যে যে কারণে এই চোরাশিকার ঘটে তার চারটি কারণ নির্ধারণ করো।
✔️ উত্তর: ভারতে বন্যপ্রাণী চোরাশিকারের পেছনে প্রধান চারটি কারণ নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: ভারতে বন্যপ্রাণী চোরাশিকারের পেছনে প্রধান চারটি কারণ নিচে দেওয়া হলো:
- বাঘের চামড়া সৌখিন বস্ত্র তৈরিতে এবং তাদের হাড়, চোখ ও দাঁতের ব্যাপক চাহিদার জন্য এদের শিকার করা হয়।
- সিংহের হাড় ভেষজ ওষুধ তৈরিতে এবং নখ ও চামড়ার লোভে সিংহ হত্যা করা হয়।
- কুমিরের বহুমূল্য চামড়া সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এদের অবৈধভাবে নিধন করা হয়।
- রেড পান্ডার লোমশ চামড়া ও সুন্দর ল্যাজ থেকে টুপি ও পরিধেয় বস্ত্র তৈরি করার জন্য চোরাশিকারিরা এদের শিকার করে।
💡 ৩৫. নিচের কাজগুলো কোন কোন হরমোন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তার একটি তালিকা তৈরি করো –
- দীর্ঘ অস্থির প্রান্তস্থিত তরুণাস্থি ধাত্রের খনিজীভবন ঘটিয়ে অস্থির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ঘটায়।
- বিদীর্ণ ডিম্বথলিকে পীতগ্রন্থি নামক অস্থায়ী অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিতে পরিণত করে এবং ওই গ্রন্থি থেকে প্রোজেস্টেরন হরমোন ক্ষরণে প্রয়োজনীয় উদ্দীপনা জোগায়।
- যকৃতে প্রোটিন ও লিপিড থেকে গ্লুকোজ উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
- প্রসবকালে জরায়ুগাত্রের পেশির সংকোচন ঘটায়।
✔️ উত্তর: হরমোনগুলির তালিকা নিচে দেওয়া হলো: - (i) অস্থির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি ঘটায় \(\rightarrow \) STH (সোমাটোট্রপিক হরমোন)।
- (ii) পীতগ্রন্থি গঠন ও প্রোজেস্টেরন হরমোন ক্ষরণে উদ্দীপনা জোগায় \(\rightarrow \) LH (লিউটিনাইজিং হরমোন)।
- (iii) যকৃতে প্রোটিন ও লিপিড থেকে গ্লুকোজ উৎপাদনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে \(\rightarrow \) ইনসুলিন হরমোন।
- (iv) প্রসবকালে জরায়ুগাত্রের পেশির সংকোচন ঘটায় \(\rightarrow \) অক্সিটোসিন হরমোন (দ্রষ্টব্য: মূল প্রশ্নপত্রের সমাধান ছকে প্রোজেস্টেরন লেখা থাকলেও জরায়ু সংকোচনে অক্সিটোসিন কাজ করে)।
💡 ৩৬. মায়োপিয়া ও হাইপারমেট্রোপিয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো।
✔️ উত্তর: রোগ দুটির প্রধান কারণ নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: রোগ দুটির প্রধান কারণ নিচে দেওয়া হলো:
- মায়োপিয়া (হ্রস্বদৃষ্টি): অক্ষিগোলকের আকার স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে গেলে বা লেন্সের বক্রতা বেড়ে গেলে দূরবর্তী বস্তু থেকে আসা আলোক রশ্মি রেটিনার সামনে প্রতিবিম্ব গঠন করে। ফলে দূরের দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়।
- হাইপারমেট্রোপিয়া (দীর্ঘদৃষ্টি): অক্ষিগোলকের আকার স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট হয়ে গেলে বা লেন্সের ফোকাস দৈর্ঘ্য বেড়ে গেলে বস্তুর প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে গঠিত হয়। ফলে কাছের দৃষ্টি ব্যাহত হয়।
💡 ৩৭. নিচের পেশিগুলোর সংকোচনের ফলে কী কী ঘটনা ঘটে ব্যাখ্যা করো: ফ্লেক্সর পেশি, এক্সটেনসর পেশি, অ্যাবডাক্টর পেশি, রোটেটর পেশি।
✔️ উত্তর: পেশিগুলির সংকোচনের ফলাফল নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: পেশিগুলির সংকোচনের ফলাফল নিচে দেওয়া হলো:
- ফ্লেক্সর পেশি: দুটি অস্থি কাছাকাছি আসে (যেমন—কনুই ভাঁজ হওয়া)।
- এক্সটেনসর পেশি: ভাঁজ হওয়া অস্থি দুটি পরস্পরের থেকে দূরে সরে যায় ও অঙ্গটি সোজা হয়।
- অ্যাবডাক্টর পেশি: কোনো অঙ্গ দেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ থেকে দূরে সরে যায়।
- রোটেটর পেশি: কোনো অঙ্গ দেহের মধ্যবর্তী অক্ষের চারপাশের বৃত্তাকারে ঘুরতে পারে।
💡 ৩৮. উদ্ভিদের বৃদ্ধি সংক্রান্ত কোন কোন কাজ অক্সিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তার একটি তালিকা তৈরি করো।
✔️ উত্তর: অক্সিন হরমোন উদ্ভিদের নিচে দেওয়া বৃদ্ধি সংক্রান্ত কাজগুলি নিয়ন্ত্রণ করে:
✔️ উত্তর: অক্সিন হরমোন উদ্ভিদের নিচে দেওয়া বৃদ্ধি সংক্রান্ত কাজগুলি নিয়ন্ত্রণ করে:
- অগ্রস্থ প্রকটতা: কাণ্ডের অগ্রমুকুলের বৃদ্ধি ঘটায় এবং পার্শ্বীয় বা কাক্সক্ষিক মুকুলের বৃদ্ধি হ্রাস করে。
- কোষ বিভাজন ও আকার বৃদ্ধি: কোষে DNA-র পরিমাণ বাড়িয়ে কোষের বিভাজন ও কোষের সামগ্রিক আয়তন বৃদ্ধি করে।
- ফলের বৃদ্ধি: নিষেকের পর ডিম্বাশয়ে অক্সিনের মাত্রা বেড়ে যায়, যা ডিম্বাশয়কে ফলে রূপান্তরিত হতে সাহায্য করে।
- মূলের বৃদ্ধি: উদ্ভিদের লঘু ঘনত্বের অক্সিন মূলের সৃষ্টি ও তার দ্রুত বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- ট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রণ: আলোর বিপরীত দিকে এবং অভিকর্ষের অনুকূলে অক্সিনের অসম বণ্টনের ফলে ফটোট্রপিক ও জিওট্রপিক চলন নিয়ন্ত্রিত হয়।
💡 ৩৯. নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যের নিরিখে উদ্ভিদকোশের মাইটোসিস ও প্রাণীকোশের মাইটোসিসের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করো – বেমতন্তু গঠন, সাইটোকাইনেসিস পদ্ধতি।
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে পার্থক্য নিচে দেওয়া হলো:
- বেমতন্তু গঠন: উদ্ভিদকোশে সেন্ট্রোজোম থাকে না, তাই কোষীয় কঙ্কাল বা অণুনালিকা (Microtubules) থেকে বেমতন্তু গঠিত হয়। প্রাণীকোশে সেন্ট্রিওল থেকে অ্যাস্ট্রাল রশ্মির মাধ্যমে বেমতন্তু গঠিত হয়।
- সাইটোকাইনেসিস পদ্ধতি: উদ্ভিদকোশে ফ্র্যাগমোপ্লাস্ট ও কোশপাত (Cell plate) গঠনের মাধ্যমে সাইটোকাইনেসিস ঘটে। প্রাণীকোশে ক্লিভেজ বা ফ্যারোয়িং (Cleavage or Furrowing) পদ্ধতিতে কোষপর্দা মাঝখান থেকে খাঁজ হয়ে অপত্য কোষ পৃথক করে।
💡 ৪০. পাথরকুচি অস্থানিক মুকুলের সাহায্যে কীভাবে প্রাকৃতিক অঙ্গজ বংশবিস্তার করে তা ব্যাখ্যা করো।
✔️ উত্তর: পাথরকুচি পাতার কিনারায় অসংখ্য অস্থানিক বা পত্রাশয়ী মুকুল জন্মায়। এই মুকুলগুলির নিচের দিক থেকে ছোট ছোট শিকড় বা মূল বের হয়। পাতাটি পরিণত হয়ে মাটিতে খসে পড়লে, অনুকূল পরিবেশে প্রতিটি পত্রাশয়ী মুকুল মূলসহ মাটি থেকে পুষ্টি নিয়ে স্বাধীন নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।
✔️ উত্তর: পাথরকুচি পাতার কিনারায় অসংখ্য অস্থানিক বা পত্রাশয়ী মুকুল জন্মায়। এই মুকুলগুলির নিচের দিক থেকে ছোট ছোট শিকড় বা মূল বের হয়। পাতাটি পরিণত হয়ে মাটিতে খসে পড়লে, অনুকূল পরিবেশে প্রতিটি পত্রাশয়ী মুকুল মূলসহ মাটি থেকে পুষ্টি নিয়ে স্বাধীন নতুন উদ্ভিদের জন্ম দেয়।
💡 ৪১. নিউক্লিয়াস বিভাজনের অ্যানাফেজ দশায় ক্রোমোজোমের যে যে পরিবর্তন হয় তা লিপিবদ্ধ করো।
✔️ উত্তর: অ্যানাফেজ দশায় ক্রোমোজোমের প্রধান পরিবর্তনগুলি হলো:
✔️ উত্তর: অ্যানাফেজ দশায় ক্রোমোজোমের প্রধান পরিবর্তনগুলি হলো:
- প্রতিটি ক্রোমোজোমের সেন্ট্রোমিয়ারটি সমান দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়, ফলে দুটি স্বতন্ত্র অপত্য ক্রোমোজোম তৈরি হয়।
- ক্রোমোজোমীয় তন্তুর সংকোচন ও ইন্টারজোনাল তন্তুর প্রসারণের কারণে অপত্য ক্রোমোজোমগুলির অর্ধেক উত্তর মেরুর দিকে এবং বাকি অর্ধেক দক্ষিণ মেরুর দিকে অগ্রসর হতে থাকে (ক্রোমোজোমীয় চলন)।
- চলনকালে সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুযায়ী ক্রোমোজোমগুলিকে ইংরেজি V, L, J, I অক্ষরের মতো দেখায়।
💡 ৪২. ইস্টের কোঁড়কদ্গম প্রক্রিয়া কীভাবে সম্পন্ন হয় তা বর্ণনা করো।
✔️ উত্তর: ইস্টের কোঁড়কদ্গম (Budding) প্রক্রিয়াটি নিচে দেওয়া উপায়ে সম্পন্ন হয়:
✔️ উত্তর: ইস্টের কোঁড়কদ্গম (Budding) প্রক্রিয়াটি নিচে দেওয়া উপায়ে সম্পন্ন হয়:
- অনুকূল পরিবেশে ইস্ট কোশের বাইরে একটি ছোট স্ফীত উপবৃদ্ধি বা কোঁড়ক (Bud) তৈরি হয়।
- মাতৃকোশের নিউক্লিয়াসটি বিভাজিত হয়ে একটি অংশ ওই বর্ধনশীল কোঁড়কের মধ্যে প্রবেশ করে।
- পরবর্তীতে কোঁড়কটি মাতৃকোশ থেকে পুষ্টি নিয়ে বৃদ্ধি পায় এবং একসময় মাতৃকোশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে সম্পূর্ণ নতুন অপত্য ইস্ট কোশ গঠন করে।
💡 ৪৩. মানব বিকাশের বয়ঃসন্ধি দশায় যে যে পরিবর্তন ঘটে তার একটি তালিকা তৈরি করো।
✔️ উত্তর: বয়ঃসন্ধি দশায় ছেলে ও মেয়েদের দেহে প্রধান পরিবর্তনগুলি হলো:
✔️ উত্তর: বয়ঃসন্ধি দশায় ছেলে ও মেয়েদের দেহে প্রধান পরিবর্তনগুলি হলো:
- ছেলেদের দেহে: দৈহিক ওজন ও উচ্চতা দ্রুত বৃদ্ধি পায়, পেশি ও অস্থি সুগঠিত ও শক্তিশালী হয় এবং গলার স্বর ভারী হয়ে যায়।
- মেয়েদের দেহে: ত্বকের নিচে মেদ জমায় শরীর নমনীয় হয়, স্তনগ্রন্থির বৃদ্ধি ঘটে এবং রজঃচক্র বা মাসিক চক্র শুরু হয়।
💡 ৪৪. মিয়োসিস কোশবিভাজনের নিচের দুটি তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো – প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা, জীবের মধ্যে প্রকরণের উৎপত্তি।
✔️ উত্তর: মিয়োসিসের দুটি প্রধান তাৎপর্য নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
✔️ উত্তর: মিয়োসিসের দুটি প্রধান তাৎপর্য নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:
- ক্রোমোজোম সংখ্যা ধ্রুবক রাখা: মিয়োসিস বিভাজনের ফলে জনন কোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের তুলনায় অর্ধেক (\(n\)) হয়ে যায়। পরে দুটি হ্যাপ্লয়েড গ্যামেটের মিলনে পুনরায় ডিপ্লয়েড (\(2n\)) জাইগোট তৈরি হয়, যা প্রজাতির নির্দিষ্ট ক্রোমোজোম সংখ্যা জনু অনুক্রমে ধ্রুবক রাখে।
- প্রকরণের উৎপত্তি: এই বিভাজনের প্রফেজ-১ দশায় নন-সিস্টার ক্রোমাটিডদ্বয়ের মধ্যে ক্রসিং ওভার বা খণ্ড বিনিময় ঘটে। এর ফলে জিনের নতুন পুনর্বিন্যাস (Recombination) ঘটে, যা অপত্য জীবের মধ্যে নতুন বৈশিষ্ট্যের বা প্রকরণের জন্ম দেয়।
💡 ৪৫. বংশগতি সংক্রান্ত মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্রটি বিবৃত করো।
✔️ উত্তর: মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র বা স্বাধীন বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment) হলো:
দুই বা ততোধিক বিপরীতধর্মী যুগ্ম বৈশিষ্ট্যের উপাদানগুলি জনিতৃ জনু থেকে অপত্য জনুতে সঞ্চারিত হওয়ার সময় একত্রিত হলেও তারা কখনো মিশে যায় না, বরং অপত্যের গ্যামেট তৈরির সময়ে তারা পরস্পর থেকে পৃথক হয় এবং সম্ভাব্য সবরকম সমন্বয়ে স্বাধীনভাবে গ্যামেটে সঞ্চারিত হয়।
✔️ উত্তর: মেন্ডেলের দ্বিতীয় সূত্র বা স্বাধীন বিন্যাস সূত্র (Law of Independent Assortment) হলো:
দুই বা ততোধিক বিপরীতধর্মী যুগ্ম বৈশিষ্ট্যের উপাদানগুলি জনিতৃ জনু থেকে অপত্য জনুতে সঞ্চারিত হওয়ার সময় একত্রিত হলেও তারা কখনো মিশে যায় না, বরং অপত্যের গ্যামেট তৈরির সময়ে তারা পরস্পর থেকে পৃথক হয় এবং সম্ভাব্য সবরকম সমন্বয়ে স্বাধীনভাবে গ্যামেটে সঞ্চারিত হয়।
💡 ৪৬. “অসম্পূর্ণ প্রকটতার ক্ষেত্রে ফিনোটাইপিক ও জিনোটাইপিক অনুপাত অভিন্ন হয়” – বক্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
✔️ উত্তর: অসম্পূর্ণ প্রকটতায় (যেমন—সন্ধ্যামালতী উদ্ভিদের একসংকর জননে) \(F_{1}\) জনুর গোলাপী ফুলগুলির মধ্যে স্ব-পরাগযোগ ঘটালে \(F_{2}\) জনুতে তিন ধরণের ফুল পাওয়া যায়:
✔️ উত্তর: অসম্পূর্ণ প্রকটতায় (যেমন—সন্ধ্যামালতী উদ্ভিদের একসংকর জননে) \(F_{1}\) জনুর গোলাপী ফুলগুলির মধ্যে স্ব-পরাগযোগ ঘটালে \(F_{2}\) জনুতে তিন ধরণের ফুল পাওয়া যায়:
- ফিনোটাইপিক অনুপাত: ১টি লাল ফুল : ২টি গোলাপী ফুল : ১টি সাদা ফুল (অনুপাত = ১ : ২ : ১)।
- জিনোটাইপিক অনুপাত: ১টি বিশুদ্ধ লাল (\(RR\)) : ২টি সংকর গোলাপী (\(Rr\)) : ১টি বিশুদ্ধ সাদা (\(rr\)) (অনুপাত = ১ : ২ : ১)।
যেহেতু উভয় ক্ষেত্রেই অনুপাত ১:২:১, তাই প্রমাণিত হয় যে অসম্পূর্ণ প্রকটতায় ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপ অনুপাত সবসময় অভিন্ন বা সমান হয়।
💡 ৪৭. বংশগতি সংক্রান্ত পরীক্ষায় মেন্ডেলের সাফল্য লাভের দুটি কারণ লেখো।
✔️ উত্তর: মেন্ডেলের সাফল্যের দুটি প্রধান কারণ নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: মেন্ডেলের সাফল্যের দুটি প্রধান কারণ নিচে দেওয়া হলো:
- বৈশিষ্ট্যের বিশুদ্ধতা ও উভলিঙ্গ ফুল: মেন্ডেল তাঁর পরীক্ষার জন্য যে মটর গাছগুলি নির্বাচন করেছিলেন সেগুলি খাঁটি বৈশিষ্ট্যযুক্ত এবং স্ব-প্রজননক্ষম ছিল। এছাড়া মটর ফুল উভলিঙ্গ হওয়ায় কৃত্রিম উপায়ে পর-নিষেক ঘটানো খুব সহজ ছিল।
- দ্রুত বংশবৃদ্ধি: মটর গাছ একবর্ষজীবী উদ্ভিদ হওয়ায় খুব অল্প সময়ের মধ্যে কয়েক জনু ধরে বংশানুক্রমে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে নিখুঁত গাণিতিক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হয়েছিল।
💡 ৪৮. “গমনের একটি চালিকা শক্তি হলো প্রাণীর বিস্তার” – উপযুক্ত উদাহরণের সাহায্যে বক্তব্যটির যৌক্তিকতা বিচার করো।
✔️ উত্তর: প্রাণীরা মূলত বংশবৃদ্ধি, নিরাপদ প্রজনন স্থল খোঁজা এবং অপত্যের সঠিক প্রতিপালনের উদ্দেশ্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দূরবর্তী দূরত্বে গমন করে। উদাহরণস্বরূপ, 'স্যামন মাছ' এবং 'অলিভ রিডলে' কচ্ছপ উপযুক্ত ও নিরাপদ প্রজনন ক্ষেত্র খোঁজার জন্য সমুদ্রের শত শত কিলোমিটার পথ সাঁতার কেটে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছায়। অতএব, প্রমাণিত হয় যে প্রাণীর সংখ্যাগত বিস্তার গমনের একটি অন্যতম চালিকা শক্তি।
✔️ উত্তর: প্রাণীরা মূলত বংশবৃদ্ধি, নিরাপদ প্রজনন স্থল খোঁজা এবং অপত্যের সঠিক প্রতিপালনের উদ্দেশ্যে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে দূরবর্তী দূরত্বে গমন করে। উদাহরণস্বরূপ, 'স্যামন মাছ' এবং 'অলিভ রিডলে' কচ্ছপ উপযুক্ত ও নিরাপদ প্রজনন ক্ষেত্র খোঁজার জন্য সমুদ্রের শত শত কিলোমিটার পথ সাঁতার কেটে নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছায়। অতএব, প্রমাণিত হয় যে প্রাণীর সংখ্যাগত বিস্তার গমনের একটি অন্যতম চালিকা শক্তি।
💡 ৪৯. ক্রোমোজোমের রাসায়নিক উপাদান একটি সারণির সাহায্যে দেখাও।
✔️ উত্তর: ইউক্যারিয়োটিক ক্রোমোজোমের প্রধান রাসায়নিক উপাদানগুলি মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত:
✔️ উত্তর: ইউক্যারিয়োটিক ক্রোমোজোমের প্রধান রাসায়নিক উপাদানগুলি মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত:
- নিউক্লিক অ্যাসিড: এটি দুই ধরণের হয়— DNA (ডি-অক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) এবং RNA (রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড)।
- প্রোটিন: এটি দুই ধরণের— ক্ষারীয় বা হিস্টোন প্রোটিন এবং অম্লীয় বা নন-হিস্টোন প্রোটিন।
- ধাতব আয়ন: ক্রোমোজোমে স্বল্প মাত্রায় ক্যালসিয়াম (\(Ca^{2+}\)), ম্যাগনেসিয়াম (\(Mg^{2+}\)) এবং আয়রন (\(Fe^{2+}\)) আয়ন অবস্থান করে।
💡 ৫০. DNA ও RNA এর মধ্যে নিম্নলিখিত বিষয়ে বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তুলনা করো — শর্করা প্রকৃতির, পিরিমিডিন ক্ষারকের প্রকৃতি।
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তুলনা নিচে দেওয়া হলো:
✔️ উত্তর: নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তুলনা নিচে দেওয়া হলো:
- শর্করা প্রকৃতি: DNA-তে ৫-কার্বনযুক্ত ডি-অক্সিরাইবোজ শর্করা থাকে, কিন্তু RNA-তে ৫-কার্বনযুক্ত রাইবোজ শর্করা উপস্থিত থাকে।
- পিরিমিডিন ক্ষারকের প্রকৃতি: DNA-তে পিরিমিডিন ক্ষারক হিসেবে সাইটোসিন (C) ও থাইমিন (T) থাকে। অন্যদিকে, RNA-তে পিরিমিডিন ক্ষারক হিসেবে সাইটোসিন (C) ও ইউরাসিল (U) থাকে।
💡 ৫১. “কোনো কোনো ফিনোটাইপের একাধিক জিনোটাইপ এবং অপর কোনো কোনো ফিনোটাইপের একটিই জিনোটাইপ থাকতে পারে” – মটরগাছের ক্ষেত্রে দ্বিসংকরজননের পরীক্ষালব্ধ ফলাফল থেকে বক্তব্যটির যথার্থতা প্রমাণ করো।
✔️ উত্তর: মটর গাছের দ্বিসংকর জননের ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপের ছক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:
✔️ উত্তর: মটর গাছের দ্বিসংকর জননের ফিনোটাইপ ও জিনোটাইপের ছক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:
- হলুদ ও গোল বীজ (ফিনোটাইপ): এই একটিমাত্র ফিনোটাইপের অধীনে ৪টি ভিন্ন জিনোটাইপ দেখা যায়— \(YYRR, YYRr, YyRR, YyRr\)।
- সবুজ ও কুঞ্চিত বীজ (ফিনোটাইপ): এই ফিনোটাইপটির ক্ষেত্রে কেবল ১টি মাত্র জিনোটাইপই সম্ভব— \(yyrr\)।
যেহেতু প্রকট বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একাধিক জিনোটাইপ এবং বিশুদ্ধ প্রচ্ছন্ন বৈশিষ্ট্যের ক্ষেত্রে একটিই জিনোটাইপ প্রকাশ পায়, তাই প্রদত্ত উক্তিটি সম্পূর্ণ যথার্থ।

