✍️সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাভিত্তিক প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-৩):
💡 ১. হরিদা পুলিশ সেজে কোথায় দাঁড়িয়েছিলেন? তিনি কীভাবে মাস্টার মশাই কে বোকা বানিয়েছিলেন?
✔️ উত্তর: 👉সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে বহুরূপী হরিদা দয়ালবাবুর লিচুবাগানের ভেতরে এক কোণে হরিদা পুলিশ সেজে দাঁড়িয়েছিলেন।
👉সেদিন স্কুলের মাস্টারমশাই তাঁর চারজন ছাত্রকে নিয়ে ওই বাগান দিয়ে যাচ্ছিলেন। হরিদা আচমকা খাঁটি পুলিশের মতো গম্ভীর গলায় হুকুম করে তাঁদের পথ আটকান এবং ভয় দেখিয়ে মাস্টারমশাইয়ের কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে আট আনা আদায় করে নেন। পরে স্কুলের মাস্টারমশাই যখন জানতে পারেন যে তিনি কোনো আসল পুলিশ নন, বরং একজন বহুরূপী, তখন তিনি নিজের বোকা বনে যাওয়ার কথাটি বুঝতে পারেন।
✔️ উত্তর: 👉সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে বহুরূপী হরিদা দয়ালবাবুর লিচুবাগানের ভেতরে এক কোণে হরিদা পুলিশ সেজে দাঁড়িয়েছিলেন।
👉সেদিন স্কুলের মাস্টারমশাই তাঁর চারজন ছাত্রকে নিয়ে ওই বাগান দিয়ে যাচ্ছিলেন। হরিদা আচমকা খাঁটি পুলিশের মতো গম্ভীর গলায় হুকুম করে তাঁদের পথ আটকান এবং ভয় দেখিয়ে মাস্টারমশাইয়ের কাছ থেকে ঘুষ হিসেবে আট আনা আদায় করে নেন। পরে স্কুলের মাস্টারমশাই যখন জানতে পারেন যে তিনি কোনো আসল পুলিশ নন, বরং একজন বহুরূপী, তখন তিনি নিজের বোকা বনে যাওয়ার কথাটি বুঝতে পারেন।
💡 ২. “নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে।” —কে বুঝতে পেরেছে? নদীর বিদ্রোহ বলতে সে কী বোঝাতে চেয়েছে?
✔️ উত্তর:👉 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে প্রধান চরিত্র নদেরচাঁদ নদীর বিদ্রোহের কারণ বুঝতে পেরেছে।
👉নদীর বিদ্রোহ বলতে নদেরচাঁদ বোঝাতে চেয়েছে যে, মানুষ নিজের স্বার্থে নদীকে বাঁধ দিয়ে, ব্রিজ তৈরি করে লোহার শৃঙ্খলে বন্দি করে রেখেছে। বর্ষার নতুন জলে পুষ্ট হয়ে নদী আজ সেই কৃত্রিম শৃঙ্খল বা মানুষের তৈরি অহংকারের বাঁধ ভেঙে নিজের স্বাভাবিক গতিতে মুক্ত হতে চাইছে। নদীর এই উন্মত্ত ও ধ্বংসাত্মক রূপকেই নদেরচাঁদ ‘নদীর বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছে।
✔️ উত্তর:👉 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে প্রধান চরিত্র নদেরচাঁদ নদীর বিদ্রোহের কারণ বুঝতে পেরেছে।
👉নদীর বিদ্রোহ বলতে নদেরচাঁদ বোঝাতে চেয়েছে যে, মানুষ নিজের স্বার্থে নদীকে বাঁধ দিয়ে, ব্রিজ তৈরি করে লোহার শৃঙ্খলে বন্দি করে রেখেছে। বর্ষার নতুন জলে পুষ্ট হয়ে নদী আজ সেই কৃত্রিম শৃঙ্খল বা মানুষের তৈরি অহংকারের বাঁধ ভেঙে নিজের স্বাভাবিক গতিতে মুক্ত হতে চাইছে। নদীর এই উন্মত্ত ও ধ্বংসাত্মক রূপকেই নদেরচাঁদ ‘নদীর বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করেছে।
💡 ৩. “আসছে নবীন —জীবনহারা অ-সুন্দরের করতে ছেদন !” —উদ্ধৃতি টির তাৎপর্য লেখ।
✔️ উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা থেকে সংগৃহীত এই উদ্ধৃতিটির মূল তাৎপর্য হলো—জরাজীর্ণ, স্থবির ও পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে যে জঞ্জাল ও অসুন্দর জমা হয়েছে, তাকে ধ্বংস করতে প্রলয়ঙ্কর রূপ নিয়ে নতুনের বা নবীনের আগমন ঘটছে। এই নবীন হলো বিপ্লবীর প্রতীক। তারা নিজেদের প্রাণশক্তির জোরে সমস্ত অন্যায়, অত্যাচার এবং জীবনহীন জড়তাকে চিরতরে বিনাশ করবে এবং ধ্বংসের মধ্য দিয়েই এক সুন্দর ও নতুন স্বাধীন পৃথিবীর সৃষ্টি করবে।
✔️ উত্তর: কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা থেকে সংগৃহীত এই উদ্ধৃতিটির মূল তাৎপর্য হলো—জরাজীর্ণ, স্থবির ও পরাধীন ভারতবর্ষের বুকে যে জঞ্জাল ও অসুন্দর জমা হয়েছে, তাকে ধ্বংস করতে প্রলয়ঙ্কর রূপ নিয়ে নতুনের বা নবীনের আগমন ঘটছে। এই নবীন হলো বিপ্লবীর প্রতীক। তারা নিজেদের প্রাণশক্তির জোরে সমস্ত অন্যায়, অত্যাচার এবং জীবনহীন জড়তাকে চিরতরে বিনাশ করবে এবং ধ্বংসের মধ্য দিয়েই এক সুন্দর ও নতুন স্বাধীন পৃথিবীর সৃষ্টি করবে।
💡 ৪. “জিজ্ঞাসিলা মহাবাহু বিস্ময় মানিয়া ;” —কাকে মহাবাহু বলা হয়েছে? তার বিস্ময়ের কারণ কী?
✔️ উত্তর:👉 মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে লঙ্কার রাক্ষস কুলের শ্রেষ্ঠ বীর ইন্দ্রজিৎ তথা মেঘনাদকে ‘মহাবাহু’ বলা হয়েছে।
👉ইন্দ্রজিতের বিস্ময়ের মূল কারণ ছিল—তিনি নিজে যুদ্ধক্ষেত্রে রামচন্দ্রকে বা রাঘবকে তীব্র শর নিক্ষেপ করে নৈশযুদ্ধে খণ্ড খণ্ড করে কেটে হত্যা করে এসেছিলেন। কিন্তু দেবী লক্ষ্মী (প্রমিলা ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশে) লঙ্কা থেকে এসে সংবাদ দেন যে রামচন্দ্র নাকি পুনর্জীবন লাভ করে পুনরায় লঙ্কা আক্রমণ করেছেন এবং তাঁর প্রিয় ভাই বীরবাহুকে হত্যা করেছেন। মৃত মানুষের এই পুনর্জীবন লাভ করার অলৌকিক সংবাদ শুনেই বীর ইন্দ্রজিৎ মনে গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন।
✔️ উত্তর:👉 মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কাব্যাংশে লঙ্কার রাক্ষস কুলের শ্রেষ্ঠ বীর ইন্দ্রজিৎ তথা মেঘনাদকে ‘মহাবাহু’ বলা হয়েছে।
👉ইন্দ্রজিতের বিস্ময়ের মূল কারণ ছিল—তিনি নিজে যুদ্ধক্ষেত্রে রামচন্দ্রকে বা রাঘবকে তীব্র শর নিক্ষেপ করে নৈশযুদ্ধে খণ্ড খণ্ড করে কেটে হত্যা করে এসেছিলেন। কিন্তু দেবী লক্ষ্মী (প্রমিলা ধাত্রী প্রভাষার ছদ্মবেশে) লঙ্কা থেকে এসে সংবাদ দেন যে রামচন্দ্র নাকি পুনর্জীবন লাভ করে পুনরায় লঙ্কা আক্রমণ করেছেন এবং তাঁর প্রিয় ভাই বীরবাহুকে হত্যা করেছেন। মৃত মানুষের এই পুনর্জীবন লাভ করার অলৌকিক সংবাদ শুনেই বীর ইন্দ্রজিৎ মনে গভীর বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন।
💡 ৫. "যে ভয়ংকর আহ্লাদটা হওয়ার কথা, সে আহলাদ খুঁজে পায় না"। আহলাদ হবার কথা ছিল কেন? ‘আহ্লাদ খুঁজে’ না পাওয়ার কারণ কি?
✔️ উত্তর: 👉আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি দেশের নামকরা ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছেপে প্রকাশিত হয়েছিল। নিজের লেখা গল্প ছাপার অক্ষরে হাজার হাজার মানুষের হাতে ঘুরবে—এই আনন্দ বা প্রাপ্তি একজন নতুন লেখকের কাছে পরম তৃপ্তির। এই কারণেই তপনের মনে এক ভয়ংকর আহ্লাদ বা প্রবল আনন্দ হওয়ার কথা ছিল।
👉কিন্তু মেসোমশাইয়ের নিয়ে আসা পত্রিকাটি হাতে পেয়ে গল্পটি যখন তপন নিজে পড়তে শুরু করে, তখন সে দেখে যে কারেকশনের নামে মেসোমশাই গল্পটির কাঁচা হাতের সমস্ত মৌলিকতা সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে নিজের পাকা কলমের লেখা ঢুকিয়ে দিয়েছেন। সেখানে তপনের নিজস্ব লেখার আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। নিজের লেখার এই চরম বিকৃতি দেখেই তপন তার কাঙ্ক্ষিত আহ্লাদ খুঁজে পায়নি।
✔️ উত্তর: 👉আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের লেখা গল্পটি দেশের নামকরা ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছেপে প্রকাশিত হয়েছিল। নিজের লেখা গল্প ছাপার অক্ষরে হাজার হাজার মানুষের হাতে ঘুরবে—এই আনন্দ বা প্রাপ্তি একজন নতুন লেখকের কাছে পরম তৃপ্তির। এই কারণেই তপনের মনে এক ভয়ংকর আহ্লাদ বা প্রবল আনন্দ হওয়ার কথা ছিল।
👉কিন্তু মেসোমশাইয়ের নিয়ে আসা পত্রিকাটি হাতে পেয়ে গল্পটি যখন তপন নিজে পড়তে শুরু করে, তখন সে দেখে যে কারেকশনের নামে মেসোমশাই গল্পটির কাঁচা হাতের সমস্ত মৌলিকতা সম্পূর্ণ বদলে দিয়ে নিজের পাকা কলমের লেখা ঢুকিয়ে দিয়েছেন। সেখানে তপনের নিজস্ব লেখার আর কিছুই অবশিষ্ট ছিল না। নিজের লেখার এই চরম বিকৃতি দেখেই তপন তার কাঙ্ক্ষিত আহ্লাদ খুঁজে পায়নি।
💡 ৬. "নিজের এই পাগলামিতে যেন আনন্দই উপভোগ করে।" —কার কথা বলা হয়েছে তার পাগলামি কি?
✔️ উত্তর:👉 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে এখানে প্রধান চরিত্র নদেরচাঁদের কথা বলা হয়েছে।
👉নদেরচাঁদের পাগলামি হলো নদীর প্রতি তার এক অবিশ্বাস্য ও একমুখী ভালোবাসা। সে তিরিশ বছর বয়সের একজন বিবাহিত স্টেশন মাস্টার হওয়া সত্ত্বেও, ৪-৫ দিনের অবিরাম বৃষ্টির পর উন্মত্ত নদীকে দেখার জন্য ছোটো ছেলেদের মতো ব্যাকুল হয়ে ওঠে। ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে নদীর উত্তাল জলরাশি দেখে সে আত্মহারা হয়ে পড়ে এবং পকেটের পুরনো ডায়েরির পাতা ছিঁড়ে দুমড়ে-মুচড়ে নদীর স্রোতে ভাসিয়ে দেয়। নদীর সাথে তার এই তীব্র ও অস্বাভাবিক সখ্যতাকেই গল্পে 'পাগলামি' বলা হয়েছে।
✔️ উত্তর:👉 মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে এখানে প্রধান চরিত্র নদেরচাঁদের কথা বলা হয়েছে।
👉নদেরচাঁদের পাগলামি হলো নদীর প্রতি তার এক অবিশ্বাস্য ও একমুখী ভালোবাসা। সে তিরিশ বছর বয়সের একজন বিবাহিত স্টেশন মাস্টার হওয়া সত্ত্বেও, ৪-৫ দিনের অবিরাম বৃষ্টির পর উন্মত্ত নদীকে দেখার জন্য ছোটো ছেলেদের মতো ব্যাকুল হয়ে ওঠে। ব্রিজের ওপর দাঁড়িয়ে নদীর উত্তাল জলরাশি দেখে সে আত্মহারা হয়ে পড়ে এবং পকেটের পুরনো ডায়েরির পাতা ছিঁড়ে দুমড়ে-মুচড়ে নদীর স্রোতে ভাসিয়ে দেয়। নদীর সাথে তার এই তীব্র ও অস্বাভাবিক সখ্যতাকেই গল্পে 'পাগলামি' বলা হয়েছে।
💡 ৭. "অতি মনোহর দেশ"— এই ‘মনোহর দেশে’র সৌন্দর্যের পরিচয় দাও।
✔️ উত্তর: কবি সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় বর্ণিত সমুদ্রকন্যার দিব্যপুরী বা মনোহর দেশ এক স্বর্গীয় সৌন্দর্যের আধার। সেই পুণ্যভূমিতে কোনো দুঃখ বা ক্লেশ নেই, সর্বদা কেবল সত্য ও ধর্মের রাজত্ব বিরাজ করে। সেই দেশের উদ্যান বা বাগানে সর্বদা সুগন্ধি ফুল ফোটে এবং গাছে গাছে বিচিত্র সুস্বাদু ফল ফলে। রত্নখচিত সেই রাজ্যে ভ্রমরের গুঞ্জন ও কোকিলের মধুর তান চারপাশের পরিবেশকে এক অলৌকিক ও স্নিগ্ধ মায়ায় আবৃত করে রাখে।
✔️ উত্তর: কবি সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় বর্ণিত সমুদ্রকন্যার দিব্যপুরী বা মনোহর দেশ এক স্বর্গীয় সৌন্দর্যের আধার। সেই পুণ্যভূমিতে কোনো দুঃখ বা ক্লেশ নেই, সর্বদা কেবল সত্য ও ধর্মের রাজত্ব বিরাজ করে। সেই দেশের উদ্যান বা বাগানে সর্বদা সুগন্ধি ফুল ফোটে এবং গাছে গাছে বিচিত্র সুস্বাদু ফল ফলে। রত্নখচিত সেই রাজ্যে ভ্রমরের গুঞ্জন ও কোকিলের মধুর তান চারপাশের পরিবেশকে এক অলৌকিক ও স্নিগ্ধ মায়ায় আবৃত করে রাখে।
💡 ৮. "অস্ত্র ফেলো, অস্ত্র রাখো" — কবি কোথায় অস্ত্র রাখতে বলেছেন? তাঁর এ কথা বলার কারণ কি?
✔️ উত্তর: 👉কবি জয় গোস্বামী তাঁর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় হিংসা ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধাস্ত্র ত্যাগ করে গানের চরণে তথা সংগীতের পবিত্র পায়ে অস্ত্র রাখতে বলেছেন।
👉আধুনিক সভ্যতা যখন যুদ্ধ, রক্তপাত ও পারস্পরিক হানাহানিতে মত্ত হয়ে উঠছে, তখন মানুষের তৈরি মারণাস্ত্রের বিরুদ্ধে কবি গানকে প্রতিরোধের একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। গান মানুষের মন থেকে হিংস্রতা ও অহংকার দূর করে পারস্পরিক মৈত্রীর বন্ধন সুদৃঢ় করতে পারে। অস্ত্রের ধ্বংসলীলার বিপরীতে মানবিক শুভবুদ্ধি ও শান্তির সংস্কৃতিকে জয়ী করার উদ্দেশ্যেই কবি এই আহ্বান জানিয়েছেন।
✔️ উত্তর: 👉কবি জয় গোস্বামী তাঁর ‘অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান’ কবিতায় হিংসা ও রক্তক্ষয়ী যুদ্ধাস্ত্র ত্যাগ করে গানের চরণে তথা সংগীতের পবিত্র পায়ে অস্ত্র রাখতে বলেছেন।
👉আধুনিক সভ্যতা যখন যুদ্ধ, রক্তপাত ও পারস্পরিক হানাহানিতে মত্ত হয়ে উঠছে, তখন মানুষের তৈরি মারণাস্ত্রের বিরুদ্ধে কবি গানকে প্রতিরোধের একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছেন। গান মানুষের মন থেকে হিংস্রতা ও অহংকার দূর করে পারস্পরিক মৈত্রীর বন্ধন সুদৃঢ় করতে পারে। অস্ত্রের ধ্বংসলীলার বিপরীতে মানবিক শুভবুদ্ধি ও শান্তির সংস্কৃতিকে জয়ী করার উদ্দেশ্যেই কবি এই আহ্বান জানিয়েছেন।
💡 ৯. “পত্রিকাটি সকলের হাতে হাতে ঘোরে” – কোন পত্রিকা, কেন সকলের হাতে হাতে ঘুরছিল?
✔️ উত্তর: 👉আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে এখানে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার কথা বলা হয়েছে।
👉তপনের কাঁচা হাতের লেখা ‘প্রথম দিন’ নামক গল্পটি তার লেখক মেসোমশাইয়ের সহায়তায় ও সংশোধনে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। তপনের মতো একজন ছোটো ছেলের গল্প পত্রিকায় ছেপে বের হওয়া এবং তার মেসোমশাই সেটি নিয়ে সশরীরে তপনদের বাড়িতে আসা—এই অভাবনীয় ও বিস্ময়কর ঘটনাটি দেখার জন্যই চেনা-পরিচিত সবার মধ্যে প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। এই কারণেই তপনদের বাড়িতে উপস্থিত সকলের হাতে হাতে পত্রিকাটি ঘুরছিল।
✔️ উত্তর: 👉আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে এখানে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকার কথা বলা হয়েছে।
👉তপনের কাঁচা হাতের লেখা ‘প্রথম দিন’ নামক গল্পটি তার লেখক মেসোমশাইয়ের সহায়তায় ও সংশোধনে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল। তপনের মতো একজন ছোটো ছেলের গল্প পত্রিকায় ছেপে বের হওয়া এবং তার মেসোমশাই সেটি নিয়ে সশরীরে তপনদের বাড়িতে আসা—এই অভাবনীয় ও বিস্ময়কর ঘটনাটি দেখার জন্যই চেনা-পরিচিত সবার মধ্যে প্রবল কৌতূহল তৈরি হয়েছিল। এই কারণেই তপনদের বাড়িতে উপস্থিত সকলের হাতে হাতে পত্রিকাটি ঘুরছিল।
💡 ১০. “তার লাঞ্ছনা এই কালো চামড়ার নিচে কম জ্বলে না”— বক্তা কে? তার কোন লাঞ্ছনার কথা বলা হয়েছে?
✔️ উত্তর:👉 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসাংশ থেকে গৃহীত এই উদ্ধৃতিটির বক্তা হলেন রামদাস তলোয়ারকর।
👉পরাধীন ভারতবর্ষে রাজদ্রোহের অপরাধে সন্দেহভাজন বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিককে খোঁজার নামে খাঁটি দেশপ্রেমিক গিরিশ মহাপাত্রের মতো ভারতীয়দের ব্রিটিশ পুলিশের হাতে যে চরম হেনস্থা ও অপমান সহ্য করতে হয়েছিল, তাকেই এখানে লাঞ্ছনা বলা হয়েছে। এছাড়া পরাধীন দেশের মানুষ হিসেবে সাহেবদের বা সাদা চামড়ার মানুষদের কাছে কৃষ্ণবর্ণের ভারতীয়দের প্রতিনিয়ত যে বৈষম্য ও লাঞ্ছনা মুখ বুজে সইতে হতো, রামদাস নিজের দেশপ্রেমের তাগিদে সেই অপমানের কথাই এখানে ব্যক্ত করেছেন।
✔️ উত্তর:👉 শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবী’ উপন্যাসাংশ থেকে গৃহীত এই উদ্ধৃতিটির বক্তা হলেন রামদাস তলোয়ারকর।
👉পরাধীন ভারতবর্ষে রাজদ্রোহের অপরাধে সন্দেহভাজন বিপ্লবী সব্যসাচী মল্লিককে খোঁজার নামে খাঁটি দেশপ্রেমিক গিরিশ মহাপাত্রের মতো ভারতীয়দের ব্রিটিশ পুলিশের হাতে যে চরম হেনস্থা ও অপমান সহ্য করতে হয়েছিল, তাকেই এখানে লাঞ্ছনা বলা হয়েছে। এছাড়া পরাধীন দেশের মানুষ হিসেবে সাহেবদের বা সাদা চামড়ার মানুষদের কাছে কৃষ্ণবর্ণের ভারতীয়দের প্রতিনিয়ত যে বৈষম্য ও লাঞ্ছনা মুখ বুজে সইতে হতো, রামদাস নিজের দেশপ্রেমের তাগিদে সেই অপমানের কথাই এখানে ব্যক্ত করেছেন।
💡 ১১. “তারা আর স্বপ্ন দেখতে পারল না।”— ‘তারা’ কারা? কেন স্বপ্ন দেখতে পারল না?
✔️ উত্তর: 👉পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘তারা’ বলতে শান্ত, হলুদ দেবতারা বা দেবতাদের পাথরের মূর্তিগুলির কথা বলা হয়েছে, যারা হাজার বছর ধরে মন্দিরে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় শান্তভাবে অবস্থান করছিল।
👉দেশ জুড়ে এক ভয়াবহ ও রাক্ষুসে যুদ্ধ আসার ফলে চারপাশের ঘরবাড়ি, মন্দির সব ভেঙে চুরমার হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। এই যুদ্ধের তাণ্ডবলীলায় মন্দিরের গর্ভগৃহে থাকা শান্ত দেবতাদের পাথরের মূর্তিও উল্টে গিয়ে টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে যায়। যে দেবতারা নিজেরা নিজেদের রক্ষা করতে পারল না এবং ভেঙে ধুলোয় মিশে গেল, তারা মানুষের মনে আর কোনো অলৌকিক সুদিনের ভরসা বা স্বপ্ন জাগিয়ে রাখতে পারল না।
✔️ উত্তর: 👉পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতায় ‘তারা’ বলতে শান্ত, হলুদ দেবতারা বা দেবতাদের পাথরের মূর্তিগুলির কথা বলা হয়েছে, যারা হাজার বছর ধরে মন্দিরে ধ্যানমগ্ন অবস্থায় শান্তভাবে অবস্থান করছিল।
👉দেশ জুড়ে এক ভয়াবহ ও রাক্ষুসে যুদ্ধ আসার ফলে চারপাশের ঘরবাড়ি, মন্দির সব ভেঙে চুরমার হয়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। এই যুদ্ধের তাণ্ডবলীলায় মন্দিরের গর্ভগৃহে থাকা শান্ত দেবতাদের পাথরের মূর্তিও উল্টে গিয়ে টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে যায়। যে দেবতারা নিজেরা নিজেদের রক্ষা করতে পারল না এবং ভেঙে ধুলোয় মিশে গেল, তারা মানুষের মনে আর কোনো অলৌকিক সুদিনের ভরসা বা স্বপ্ন জাগিয়ে রাখতে পারল না।
💡 ১২. “কে কবে শুনেছে পুত্র, ভাসে শিলা জলে” – বক্তা কে? তাঁর একথা বলার কারণ কী?
✔️ উত্তর:👉 মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কাব্যাংশ থেকে সংগৃহীত এই চরণের বক্তা হলেন লঙ্কেশ্বর রাক্ষসরাজ রাবণ।
👉রাবণের পুত্র মেঘনাদ (ইন্দ্রজিৎ) রাবণকে আশ্বস্ত করে জানান যে তিনি নিজেই যুদ্ধক্ষেত্রে রামচন্দ্রকে খণ্ড খণ্ড করে কেটে বধ করে এসেছেন। কিন্তু সেই মৃত রামচন্দ্র অলৌকিকভাবে পুনর্জীবন লাভ করে লঙ্কা আক্রমণ করেছেন এবং রাবণের অপর পুত্র বীরবাহুকে হত্যা করেছেন। মৃত মানুষের বেঁচে ওঠার এই অসম্ভব ও অবিশ্বাস্য সংবাদ শুনেই রাবণ বিস্মিত হন। প্রকৃতিতে যেমন ভারী পাথর বা শিলা কখনো জলে ভাসতে পারে না—তা সম্পূর্ণ অসম্ভব, তেমনি মৃত মানুষের বেঁচে ওঠাও প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরে এক চরম অসম্ভব ঘটনা। এই তুলনাটি টেনেই রাবণ এমন মন্তব্য করেছিলেন।
✔️ উত্তর:👉 মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘অভিষেক’ কাব্যাংশ থেকে সংগৃহীত এই চরণের বক্তা হলেন লঙ্কেশ্বর রাক্ষসরাজ রাবণ।
👉রাবণের পুত্র মেঘনাদ (ইন্দ্রজিৎ) রাবণকে আশ্বস্ত করে জানান যে তিনি নিজেই যুদ্ধক্ষেত্রে রামচন্দ্রকে খণ্ড খণ্ড করে কেটে বধ করে এসেছেন। কিন্তু সেই মৃত রামচন্দ্র অলৌকিকভাবে পুনর্জীবন লাভ করে লঙ্কা আক্রমণ করেছেন এবং রাবণের অপর পুত্র বীরবাহুকে হত্যা করেছেন। মৃত মানুষের বেঁচে ওঠার এই অসম্ভব ও অবিশ্বাস্য সংবাদ শুনেই রাবণ বিস্মিত হন। প্রকৃতিতে যেমন ভারী পাথর বা শিলা কখনো জলে ভাসতে পারে না—তা সম্পূর্ণ অসম্ভব, তেমনি মৃত মানুষের বেঁচে ওঠাও প্রাকৃতিক নিয়মের বাইরে এক চরম অসম্ভব ঘটনা। এই তুলনাটি টেনেই রাবণ এমন মন্তব্য করেছিলেন।
💡 ১৩. “তাতে যে আমার ঢং নষ্ট হয়ে যায়” – ‘ঢং’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? কীসে ঢং নষ্ট হয়ে যাবে?
✔️ উত্তর: 👉সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে ‘ঢং’ বলতে হরিদার বৈরাগ্য বা বিরাগী রূপের আধ্যাত্মিক ছদ্মবেশ ও চারিত্রিক শুদ্ধতাকে বোঝানো হয়েছে ।
👉গল্পে হরিদা বিরাগী সেজে জগদীশবাবুর বাড়ি গিয়ে তাঁর দেওয়া তীর্থ ভ্রমণের জন্য রাখা প্রণামীর ১০১ টাকা স্পর্শ না করে চলে আসেন। পরবর্তীতে বন্ধুদের প্রশ্নের উত্তরে হরিদা জানান যে, একজন প্রকৃত বিরাগীর পক্ষে টাকা স্পর্শ করা বা লোভ দেখানো সাজে না। তিনি যদি বিরাগী সেজে শেষ পর্যন্ত টাকা বা বকশিশ গ্রহণ করতেন, তবে তাঁর ধারণ করা পবিত্র বিরাগী ছদ্মবেশের আধ্যাত্মিক মর্যাদা ও নীতিগত পবিত্রতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেত।
✔️ উত্তর: 👉সুবোধ ঘোষের ‘বহুরূপী’ গল্পে ‘ঢং’ বলতে হরিদার বৈরাগ্য বা বিরাগী রূপের আধ্যাত্মিক ছদ্মবেশ ও চারিত্রিক শুদ্ধতাকে বোঝানো হয়েছে ।
👉গল্পে হরিদা বিরাগী সেজে জগদীশবাবুর বাড়ি গিয়ে তাঁর দেওয়া তীর্থ ভ্রমণের জন্য রাখা প্রণামীর ১০১ টাকা স্পর্শ না করে চলে আসেন। পরবর্তীতে বন্ধুদের প্রশ্নের উত্তরে হরিদা জানান যে, একজন প্রকৃত বিরাগীর পক্ষে টাকা স্পর্শ করা বা লোভ দেখানো সাজে না। তিনি যদি বিরাগী সেজে শেষ পর্যন্ত টাকা বা বকশিশ গ্রহণ করতেন, তবে তাঁর ধারণ করা পবিত্র বিরাগী ছদ্মবেশের আধ্যাত্মিক মর্যাদা ও নীতিগত পবিত্রতা সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যেত।
💡 ১৪. ‘ওরা ভয়ে কাঠ হয়ে গেল’ ‘ওরা’ কারা? তারা ভয়ে কাঠ হয়ে গেল কেন?
✔️ উত্তর: 👉প্রফুল্ল রায়ের ‘অদল-বদল’ গল্পে ‘ওরা’ বলতে দুই পরম বন্ধু অমৃত এবং ইসাবকে বোঝানো হয়েছে।
👉হোলির দিন কুস্তি লড়ার সময় কালিয়া নামক একটি ছেলে জোর করে ইসাবকে মাটিতে ফেলে দেয়। বন্ধুর এই অপমান সহ্য করতে না পেরে অমৃত এগিয়ে আসে এবং কালিয়াকে ল্যাং মেরে মাটিতে আছাড় দেয়। কিন্তু এই ধস্তাধস্তির মাঝেই অমৃত হঠাৎ খেয়াল করে যে, কালিয়ার সাথে কুস্তি লড়ার কারণে ইসাবের গায়ের দামি নতুন জামাটির পকেট থেকে শুরু করে বুক পর্যন্ত প্রায় ১০ ইঞ্চি পরিমাণ অংশ ছিঁড়ে গেছে। বাড়ি ফিরলে ইসাবের কড়া ও রাগী বাবা এই ছেঁড়া জামা দেখলে নির্ঘাত তাকে মারধর করবেন—এই চরম শাস্তির কথা ভেবেই তারা দুজনে ভয়ে একেবারে কাঠ হয়ে গিয়েছিল।
✔️ উত্তর: 👉প্রফুল্ল রায়ের ‘অদল-বদল’ গল্পে ‘ওরা’ বলতে দুই পরম বন্ধু অমৃত এবং ইসাবকে বোঝানো হয়েছে।
👉হোলির দিন কুস্তি লড়ার সময় কালিয়া নামক একটি ছেলে জোর করে ইসাবকে মাটিতে ফেলে দেয়। বন্ধুর এই অপমান সহ্য করতে না পেরে অমৃত এগিয়ে আসে এবং কালিয়াকে ল্যাং মেরে মাটিতে আছাড় দেয়। কিন্তু এই ধস্তাধস্তির মাঝেই অমৃত হঠাৎ খেয়াল করে যে, কালিয়ার সাথে কুস্তি লড়ার কারণে ইসাবের গায়ের দামি নতুন জামাটির পকেট থেকে শুরু করে বুক পর্যন্ত প্রায় ১০ ইঞ্চি পরিমাণ অংশ ছিঁড়ে গেছে। বাড়ি ফিরলে ইসাবের কড়া ও রাগী বাবা এই ছেঁড়া জামা দেখলে নির্ঘাত তাকে মারধর করবেন—এই চরম শাস্তির কথা ভেবেই তারা দুজনে ভয়ে একেবারে কাঠ হয়ে গিয়েছিল।
💡 ১৫. “এল মানুষ ধরার দল” ‘মানুষ ধরার দল’ কোথায় এল? তাদের ‘মানুষ ধরার দল’ বলার কারণ কী?
✔️ উত্তর: 👉বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় ‘মানুষ ধরার দল’ বলতে সাম্রাজ্যবাদী, লোভী ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিদের বোঝানো হয়েছে, যারা আফ্রিকার বুকে অতর্কিতে হানা দিয়েছিল।
👉এই অত্যাচারী দল আফ্রিকার গহন অরণ্যে ও শান্ত আদিম ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। তাদের ‘মানুষ ধরার দল’ বলার কারণ হলো—তারা ছিল চরম অমানবিক ও দয়াহীন। তারা আফ্রিকার সহজ-সরল আদিবাসী মানুষদের জোরপূর্বক বন্দি করে, লোহার হাতকড়া পরিয়ে কৃতদাসে পরিণত করত এবং নিজেদের স্বার্থে তাদের এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাচার করত। মানুষের স্বাধীনতা হরণকারী এই বর্বরোচিত ও পাশবিক আচরণের জন্যই কবি তাদের এই বিশেষণে অভিহিত করেছেন।
✔️ উত্তর: 👉বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘আফ্রিকা’ কবিতায় ‘মানুষ ধরার দল’ বলতে সাম্রাজ্যবাদী, লোভী ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিদের বোঝানো হয়েছে, যারা আফ্রিকার বুকে অতর্কিতে হানা দিয়েছিল।
👉এই অত্যাচারী দল আফ্রিকার গহন অরণ্যে ও শান্ত আদিম ভূখণ্ডে প্রবেশ করে। তাদের ‘মানুষ ধরার দল’ বলার কারণ হলো—তারা ছিল চরম অমানবিক ও দয়াহীন। তারা আফ্রিকার সহজ-সরল আদিবাসী মানুষদের জোরপূর্বক বন্দি করে, লোহার হাতকড়া পরিয়ে কৃতদাসে পরিণত করত এবং নিজেদের স্বার্থে তাদের এক দেশ থেকে অন্য দেশে পাচার করত। মানুষের স্বাধীনতা হরণকারী এই বর্বরোচিত ও পাশবিক আচরণের জন্যই কবি তাদের এই বিশেষণে অভিহিত করেছেন।
💡 ১৬. “আমরা ভিখারি বারো মাস” ‘আমরা’ বলতে কারা? ‘ভিখারি’ শব্দ বলে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন?
✔️ উত্তর: 👉শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় ‘আমরা’ বলতে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের শিকার সাধারণ, নিরুপায় এবং আশ্রয়হীন শ্রমজীবী সাধারণ মানুষদের বোঝানো হয়েছে।
👉‘ভিখারি’ শব্দটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের আবহে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার সমস্ত অবলম্বন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে এবং ডানে-বামে-মাথায় মৃত্যুর চোখরাঙানি নিয়ে তারা নিজেদের অস্তিত্বটুকু টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত যাযাবরের মতো মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। নিজেদের মৌলিক অধিকার ও আশ্রয় হারিয়ে চরম দীনহীন ও অসহায়ভাবে বেঁচে থাকার এই করুণ অবস্থাকেই কবি 'বারো মাসের ভিখারি' শব্দবন্ধের দ্বারা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
✔️ উত্তর: 👉শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতায় ‘আমরা’ বলতে যুদ্ধবিধ্বস্ত ও সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসনের শিকার সাধারণ, নিরুপায় এবং আশ্রয়হীন শ্রমজীবী সাধারণ মানুষদের বোঝানো হয়েছে।
👉‘ভিখারি’ শব্দটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুদ্ধের আবহে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার সমস্ত অবলম্বন কেড়ে নেওয়া হয়েছে। তাদের ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে এবং ডানে-বামে-মাথায় মৃত্যুর চোখরাঙানি নিয়ে তারা নিজেদের অস্তিত্বটুকু টিকিয়ে রাখতে প্রতিনিয়ত যাযাবরের মতো মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। নিজেদের মৌলিক অধিকার ও আশ্রয় হারিয়ে চরম দীনহীন ও অসহায়ভাবে বেঁচে থাকার এই করুণ অবস্থাকেই কবি 'বারো মাসের ভিখারি' শব্দবন্ধের দ্বারা অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
💡 ১৭. “এতে দুজনেরই ভয় কেটে গেল”— দু’জন কে কে? কীভাবে তাদের ভয় কেটে গেল?
✔️উত্তর: 👉পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে দু’জন হল অমৃত ও ইসাব।
✔️উত্তর: 👉পান্নালাল প্যাটেলের ‘অদল বদল’ গল্পে দু’জন হল অমৃত ও ইসাব।
👉হোলির দিনে দুষ্টু ছেলেদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে ইসাবের নতুন জামা ছিঁড়ে যায়। বন্ধুকে বাবার মার থেকে বাঁচাতে অমৃতের সঙ্গে ইসাব জামা বদল করে। বাড়ি ফিরে অমৃতের মা জামা ছেঁড়া দেখে অসন্তুষ্ট হলেও তাকে ক্ষমা করে জামাটি সেলাই করে দেন। ফলে দুজনেরই ভয় কেটে যায়।
💡 ১৮. “তখন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়”— ‘তখন’ বলতে কোন্ সময়ের কথা বলা হয়েছে? বক্তা ‘আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো’ কেন?
✔️উত্তর: 👉আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের ছোটোমেসো যখন তপনের লেখা গল্পটি সংশোধন করে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপিয়ে দেওয়ার কথা বলেন, তখন তপন প্রথমে কথাটি বিশ্বাস করতে পারে না।
💡 ১৮. “তখন আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়”— ‘তখন’ বলতে কোন্ সময়ের কথা বলা হয়েছে? বক্তা ‘আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো’ কেন?
✔️উত্তর: 👉আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের ছোটোমেসো যখন তপনের লেখা গল্পটি সংশোধন করে ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকায় ছাপিয়ে দেওয়ার কথা বলেন, তখন তপন প্রথমে কথাটি বিশ্বাস করতে পারে না।
👉পরে ছোটোমেসোর মুখে করুণার ছাপ দেখে সে বুঝতে পারে যে কথাটি সত্যি। নিজের লেখা গল্প ছাপানোর সুযোগ পেয়ে তপন আনন্দে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়।
💡 ১৯. “এ অদ্ভুত বারতা, জননি কোথায় পাইলে তুমি”— ‘জননি’ কে? তাঁর কোন্ বার্তাকে ‘অদ্ভুত’ বলা হয়েছে?
✔️উত্তর: 👉মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর ‘অভিষেক’ অংশে উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায়। এখানে ‘জননি’ বলতে মেঘনাদের মা মন্দোদরীকে বোঝানো হয়েছে।
💡 ১৯. “এ অদ্ভুত বারতা, জননি কোথায় পাইলে তুমি”— ‘জননি’ কে? তাঁর কোন্ বার্তাকে ‘অদ্ভুত’ বলা হয়েছে?
✔️উত্তর: 👉মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর ‘অভিষেক’ অংশে উদ্ধৃতিটি পাওয়া যায়। এখানে ‘জননি’ বলতে মেঘনাদের মা মন্দোদরীকে বোঝানো হয়েছে।
👉রামচন্দ্রের মৃত্যুসংবাদ শুনে মন্দোদরী যে সংবাদ দিয়েছিলেন, সেটিকেই অদ্ভুত বার্তা বলা হয়েছে। কারণ, রামচন্দ্রের পুনর্জীবনলাভের সংবাদ মেঘনাদের কাছে ছিল অত্যন্ত বিস্ময়কর ও অবিশ্বাস্য।
💡 ২০. “পৃথিবী হয়তো গেছে মরে”— কোন্ কবিতার উদ্ধৃতি? উদ্ধৃতিটির অর্থ পরিস্ফুট করো।
উত্তর: 👉উদ্ধৃতিটি কবি শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
💡 ২০. “পৃথিবী হয়তো গেছে মরে”— কোন্ কবিতার উদ্ধৃতি? উদ্ধৃতিটির অর্থ পরিস্ফুট করো।
উত্তর: 👉উদ্ধৃতিটি কবি শঙ্খ ঘোষের ‘আয় আরো বেঁধে বেঁধে থাকি’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
👉যুদ্ধ, হিংসা ও ধ্বংসে বিপর্যস্ত পৃথিবীর হতাশাজনক পরিস্থিতি এখানে প্রকাশিত হয়েছে। মানুষের স্বাধীনতা বিপন্ন, জীবন অনিশ্চিত এবং চারদিকে অশান্তি বিরাজ করছে। তাই কবির মনে হয়েছে, পৃথিবী যেন মৃতপ্রায়। কিন্তু এই প্রতিকূল অবস্থাতেও মানুষকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে এবং পরস্পরের হাত ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করতে হবে।
💡 ২১. “এই সুখবরে তারা সব খুশি হয়ে গেল।” কারা, কেন খুশি হয়েছিল?
উত্তর: 👉এখানে অপূর্ব সেই হিন্দুস্থানের লোকজনদের কথা উল্লেখ করেছেন, যারা তার সঙ্গে স্টেশনে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের সময় উপস্থিত ছিল।
উত্তর: 👉এখানে অপূর্ব সেই হিন্দুস্থানের লোকজনদের কথা উল্লেখ করেছেন, যারা তার সঙ্গে স্টেশনে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের সময় উপস্থিত ছিল।
👉তাদের খুশির কারণ ছিল অপূর্বর শারীরিক অবস্থার গুরুতর ক্ষতি না হওয়া। অপূর্ব একটি বিদ্বেষপূর্ণ ও অপমানজনক পরিস্থিতির শিকার হয়েছিল। তাকে প্ল্যাটফর্ম থেকে জোরপূর্বক লাথি মেরে বের করে দেওয়া হয়। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে স্টেশনমাস্টার তাকে ‘দেশি লোক’ বলে অপমান করে স্টেশন থেকে কুকুরের মতো বের করে দেয়। তবুও হিন্দুস্থানের লোকজন কোনো প্রতিবাদ না করে, অপূর্বর গুরুতর শারীরিক ক্ষতি না হওয়ার খবর শুনে স্বস্তি প্রকাশ করে।
💡 ২২. “এমন সময় ঘটল সেই ঘটনা।” কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের স্কুলের ছুটি ফুরিয়ে গিয়েছিল এবং রীতিমতো পড়াশোনা শুরু হয়েছিল। প্রথম গল্পটি সম্পর্কে তপন একেবারে আশাহীন হয়ে বিষণ্ণ মনে বসেছিল। এমন সময় একদিন ছোটোমাসি ও মেসো বেড়াতে এলেন। মেসোর হাতে ছিল এক সংখ্যা ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকা। এই ঘটনাকেই উদ্ধৃতিতে ‘সেই ঘটনা’ বলা হয়েছে।
💡 ২৩.“আমি তাকে ছেড়ে দিলাম” — কে কাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন?
উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতা থেকে গৃহীত অংশে কথক তাঁর প্রিয় নারীকে অপেক্ষায় রেখে নিজ বাসভূমি ছেড়ে দূরে চলে গিয়েছিলেন। স্বদেশ ছেড়ে দূর থেকে দূরতর কোনো স্থানে চলে যাওয়ার সময় তিনি দরজায় তাঁর অপেক্ষায় দাঁড় করিয়ে রেখে যান এক প্রিয়জনকে। যদিও সে জানত না যে কবি আর কখনও ফিরে আসবেন না। কবি এখানে এক চিরকালীন বিদায়মুহূর্তের ছবি এঁকেছেন।
💡 ২৪. “দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু-চাঁদের কর” — ‘দিগম্বর’ কে? উদ্ধৃতিটির অর্থ কী?
উত্তর: 👉কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা থেকে গৃহীত উদ্ধৃতিটিতে ‘দিগম্বর’ বলতে দেবাদিদেব মহাদেবকে বোঝানো হয়েছে।
👉উদ্ধৃতিটির অর্থ: শিবের জটায় পবিত্র চন্দ্রের অধিষ্ঠান। পুরাণমতে, তেজস্বিনী গঙ্গা যখন স্বর্গলোক থেকে পৃথিবী ধ্বংসের জন্য আসেন, তখন মহাদেব তাঁকে নিজের জটায় ধারণ করেন। এর অর্থ, মহাদেবের জটায় একাধারে ধ্বংস এবং চাঁদের আলোকোজ্জ্বল, পবিত্র ও স্নিগ্ধ রূপের সহাবস্থান রয়েছে। নতুন যুগের আগমনে পৃথিবী যখন উল্লাসিত এবং প্রাচীন ধারণার অবসান আসন্ন, তখন মানুষের মনের অবস্থা বোঝাতেই কবি এই উপমা ব্যবহার করেছেন।
💡 ২২. “এমন সময় ঘটল সেই ঘটনা।” কোন ঘটনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর ‘জ্ঞানচক্ষু’ গল্পে তপনের স্কুলের ছুটি ফুরিয়ে গিয়েছিল এবং রীতিমতো পড়াশোনা শুরু হয়েছিল। প্রথম গল্পটি সম্পর্কে তপন একেবারে আশাহীন হয়ে বিষণ্ণ মনে বসেছিল। এমন সময় একদিন ছোটোমাসি ও মেসো বেড়াতে এলেন। মেসোর হাতে ছিল এক সংখ্যা ‘সন্ধ্যাতারা’ পত্রিকা। এই ঘটনাকেই উদ্ধৃতিতে ‘সেই ঘটনা’ বলা হয়েছে।
💡 ২৩.“আমি তাকে ছেড়ে দিলাম” — কে কাকে ছেড়ে দিয়েছিলেন?
উত্তর: পাবলো নেরুদার ‘অসুখী একজন’ কবিতা থেকে গৃহীত অংশে কথক তাঁর প্রিয় নারীকে অপেক্ষায় রেখে নিজ বাসভূমি ছেড়ে দূরে চলে গিয়েছিলেন। স্বদেশ ছেড়ে দূর থেকে দূরতর কোনো স্থানে চলে যাওয়ার সময় তিনি দরজায় তাঁর অপেক্ষায় দাঁড় করিয়ে রেখে যান এক প্রিয়জনকে। যদিও সে জানত না যে কবি আর কখনও ফিরে আসবেন না। কবি এখানে এক চিরকালীন বিদায়মুহূর্তের ছবি এঁকেছেন।
💡 ২৪. “দিগম্বরের জটায় হাসে শিশু-চাঁদের কর” — ‘দিগম্বর’ কে? উদ্ধৃতিটির অর্থ কী?
উত্তর: 👉কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতা থেকে গৃহীত উদ্ধৃতিটিতে ‘দিগম্বর’ বলতে দেবাদিদেব মহাদেবকে বোঝানো হয়েছে।
👉উদ্ধৃতিটির অর্থ: শিবের জটায় পবিত্র চন্দ্রের অধিষ্ঠান। পুরাণমতে, তেজস্বিনী গঙ্গা যখন স্বর্গলোক থেকে পৃথিবী ধ্বংসের জন্য আসেন, তখন মহাদেব তাঁকে নিজের জটায় ধারণ করেন। এর অর্থ, মহাদেবের জটায় একাধারে ধ্বংস এবং চাঁদের আলোকোজ্জ্বল, পবিত্র ও স্নিগ্ধ রূপের সহাবস্থান রয়েছে। নতুন যুগের আগমনে পৃথিবী যখন উল্লাসিত এবং প্রাচীন ধারণার অবসান আসন্ন, তখন মানুষের মনের অবস্থা বোঝাতেই কবি এই উপমা ব্যবহার করেছেন।

