✍️বিকল্পধর্মী প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
💡 ১. অঘোষ মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন হল — (ক) ক, থ (খ) গ, ছ (গ) থ, ফ (ঘ) দ, ধ।
✔️ উত্তর: (গ) থ, ফ।
💡 ২. নব + উঢ়া = নবোঢ়া — এখানে সন্ধির যে নিয়মটি প্রযোজ্য — (ক) অ + উ = ও (খ) অ + ঊ = ও (গ) ব + উ = ও (ঘ) ব + ঊ = ও।
✔️ উত্তর: (খ) অ + ঊ = ও।
💡 ৩. বিশ্রি > বিচ্ছিরি — ধ্বনিতাত্ত্বিক নিয়মটি হল — (ক) প্রগত সমীভবন (খ) পরাগত সমীভবন (গ) অন্যোন্য সমীভবন (ঘ) ব্যঞ্জনলোপ।
✔️ উত্তর: (ক) প্রগত সমীভবন।
💡 ৪. ‘ধর্ম > ধম্ম’ — কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের ফলে এসেছে? — (ক) স্বরভক্তি (খ) সমীভবন (গ) অপিনিহিতি (ঘ) স্বরসংগতি।
✔️ উত্তর: (খ) সমীভবন।
💡 ৫. মামলা > মামলত কী ধরনের পরিবর্তন? — (ক) স্বরাগম (খ) ব্যঞ্জনাগম (গ) সমীভবন (ঘ) ব্যঞ্জনলোপ।
✔️ উত্তর: (খ) ব্যঞ্জনাগম।
💡 ৬. ‘ম’ ধ্বনিটি হল — (ক) পার্শ্বিকধ্বনি (খ) নাসিক্যধ্বনি (গ) ব্যঞ্জনধ্বনি (ঘ) ললিত ধ্বনি।
✔️ উত্তর: (খ) নাসিক্যধ্বনি।
💡 ৭. বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা — (ক) ৬ (খ) ৭ (গ) ৮ (ঘ) ৯।
✔️ উত্তর: (খ) ৭।
💡 ৮. স্বরধ্বনি রূপান্তরের দুটি প্রক্রিয়ার একটি স্বরসংগতি, অপরটি — (ক) সমীভবন (খ) ধ্বন্যাগম (গ) স্বরভক্তি (ঘ) অভিশ্রুতি।
✔️ উত্তর: (ঘ) অভিশ্রুতি।
💡 ৯. অপিনিহিতির উদাহরণ হল — (ক) সাধু > সাউধ (খ) বিলাতি > বিলিতি (গ) উপাস > উপোস (ঘ) শ্লোক > শলোক।
✔️ উত্তর: (ক) সাধু > সাউধ।
💡 ১০. ‘ল’ কোন্ ধরনের ধ্বনি? — (ক) কম্পিত ধ্বনি (খ) তাড়িত ধ্বনি (গ) পার্শ্বিক ধ্বনি (ঘ) উষ্ম ধ্বনি।
✔️ উত্তর: (গ) পার্শ্বিক ধ্বনি।
💡 ১১. মৌলিক স্বরধ্বনিগুলি কয়টি — (ক) সাতটি (খ) পাঁচটি (গ) চারটি (ঘ) তিনটি।
✔️ উত্তর: (ক) সাতটি।
💡 ১২. বর্ণ বিপর্যয়ে কোন বর্ণের বিপর্যয় হয়? — (ক) স্বরবর্ণের (খ) ব্যঞ্জনবর্ণের (গ) স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণের (ঘ) ব্যঞ্জন ও স্বরবর্ণের।
✔️ উত্তর: (খ) ব্যঞ্জনবর্ণের।
💡 ১৩. অনুসর্গগুলো আসলে — (ক) উপসর্গ (খ) অব্যয় (গ) ক্রিয়াপদ (ঘ) বিশেষ্য।
✔️ উত্তর: (খ) অব্যয়।
💡 ১৪. মিশ্রধ্বনি কোনটি? — (ক) ক্ষ (খ) ঞ (গ) ও (ঘ) ঔ।
✔️ উত্তর: (ঘ) ঔ।
💡 ১৫. কারকের অর্থ প্রকাশ করে — (ক) অনুসর্গ ও উপসর্গ (খ) অনুসর্গ ও বিভক্তি (গ) প্রত্যয় ও বিভক্তি (ঘ) উপসর্গ ও বিভক্তি।
✔️ উত্তর: (খ) অনুসর্গ ও বিভক্তি।
💡 ১৬. ‘এ’ এবং ‘ও’ স্বরধ্বনিদ্বয়কে বলে — (ক) উচ্চ স্বরধ্বনি (খ) নিম্ন স্বরধ্বনি (গ) নিম্নমধ্য স্বরধ্বনি (ঘ) উচ্চমধ্য স্বরধ্বনি।
✔️ উত্তর: (ঘ) উচ্চমধ্য স্বরধ্বনি।
💡 ১৭. উপসর্গ ধাতু বা পদের পূর্বে বসে ধাতু বা পদটির — (ক) অর্থ পরিবর্তন ঘটায় (খ) বাক্য গঠন করে (গ) ধ্বনি বিপর্যয় ঘটায় (ঘ) সন্ধিযুক্ত করে।
✔️ উত্তর: (ক) অর্থ পরিবর্তন ঘটায়।
💡 ১৮. বাংলা ব্যাকরণে কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি হল — (ক) অ (খ) আ (গ) ই (ঘ) ঐ।
✔️ উত্তর: (খ) আ।
💡 ১৯. অপিনিহিতি হল একপ্রকার — (ক) ধ্বনিলোপ (খ) ধ্বনির আগম (গ) ধ্বনির রূপান্তর (ঘ) ধ্বনির বিপর্যয়।
✔️ উত্তর: (গ) ধ্বনির রূপান্তর।
💡 ২০. পটোলতা > পলতা — এটি কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন? — (ক) অন্ত্যব্যঞ্জন লোপ (খ) অন্তর লোপ (গ) সমাক্ষর লোপ (ঘ) কোনোটিই নয়।
✔️ উত্তর: (গ) সমাক্ষর লোপ।
💡 ২১. অর্ধবিবৃত স্বরধ্বনির উদাহরণ হল — (ক) অ (খ) ঐ (গ) আ (ঘ) ও।
✔️ উত্তর: (ক) অ।
💡 ২২. স্ব + ঈর = স্বৈর — কোন্ ধরনের সন্ধি? — (ক) স্বরসন্ধি (খ) নিপাতনে সিদ্ধ (গ) ব্যঞ্জনসন্ধি (ঘ) খাঁটি বাংলা সন্ধি।
✔️ উত্তর: (খ) নিপাতনে সিদ্ধ।
💡 ২৩. পার্শ্বিক ধ্বনির একটি উদাহরণ হল — (ক) হ (খ) ল (গ) য।
✔️ উত্তর: (খ) ল।
💡 ২৪. ‘মিষ্টান্ন’ শব্দের প্রকৃত সন্ধিবিচ্ছেদ হল — (ক) মিষ্ট + অন্ন (খ) মিষ্টি + অন্ন (গ) মিষ্ঠা + অন্ন।
✔️ উত্তর: (ক) মিষ্ট + অন্ন।
💡 ২৫. স্পর্ধা > আস্পর্ধা — এটি — (ক) আদি স্বরাগম (খ) মধ্য স্বরাগম (গ) অন্ত্যস্বরাগম।
✔️ উত্তর: (ক) আদি স্বরাগম।
💡 ২৬. অল্পপ্রাণ ধ্বনি মহাপ্রাণ ধ্বনির মতো উচ্চারিত হলে তাকে বলে — (ক) পিনায়ন (খ) স্ফীনায়ন (গ) ঘোষীভবন (ঘ) অঘোষীভবন।
✔️ উত্তর: (খ) স্ফীনায়ন।
💡 ২৭. যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে জিভ সবচেয়ে নিচে থাকে সেগুলি — (ক) নিম্ন স্বরধ্বনি (খ) নিম্নমধ্য স্বরধ্বনি (গ) কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি (ঘ) বিবৃত স্বরধ্বনি।
✔️ উত্তর: (ক) নিম্ন স্বরধ্বনি।
💡 ২৮. তাড়িত ধ্বনি বলা হয় — (ক) ড্, ঢ্ (খ) য, ল (গ) ম, ব (ঘ) ক, ল।
✔️ উত্তর: (ক) ড্, ঢ্।
💡 ২৯. অনুসর্গের অপর নাম — (ক) কর্মপ্রবচনীয় (খ) প্রত্যয় (গ) উপসর্গ (ঘ) কোনোটি নয়।
✔️ উত্তর: (ক) কর্মপ্রবচনীয়।
💡 ৩০. মৌলিক স্বরধ্বনি কয়টি? — (ক) ৭টি (খ) ৮টি (গ) ১১টি (ঘ) ১২টি।
✔️ উত্তর: (ক) ৭টি।
💡 ৩১. উচ্চ স্বরধ্বনি হল — (ক) এ, ও (খ) অ, অ্যা (গ) ই, উ (ঘ) অ, এ।
✔️ উত্তর: (গ) ই, উ।
💡 ৩২. বেঞ্চ > বেঞ্চি — (ক) স্বরাগম (খ) স্বরভক্তি (গ) স্বরলোপ (ঘ) স্বরসংগতি।
✔️ উত্তর: (ক) স্বরাগম।
💡 ৩৩. ‘অপিনিহিতি’ শব্দটির অর্থ — (ক) বিপ্রকর্ষ (খ) পূর্বে স্থাপন (গ) সাম্য লাভ (ঘ) স্বরের আগম।
✔️ উত্তর: (খ) পূর্বে স্থাপন।
💡 ৩৪. পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি বা বর্ণ পরস্পর স্থান পরিবর্তন করলে তাকে বলে — (ক) ধ্বনিসাম্য (খ) ব্যঞ্জনাগম (গ) ধ্বনি বিপর্যয় (ঘ) শ্রুতি বিপর্যয়।
✔️ উত্তর: (গ) ধ্বনি বিপর্যয়।
💡 ৩৫. অপিনিহিতির উদাহরণ হল — (ক) সাধু > সাউধ (খ) বিলাতি > বিলিতি (গ) উপাস > উপোস (ঘ) শ্লোক > শলোক।
✔️ উত্তর: (ক) সাধু > সাউধ।
💡 ৩৬. বিপ্রকর্ষের অপর নাম — (ক) স্বরাগম (খ) স্বরভক্তি (গ) ব্যঞ্জনাগম (ঘ) স্বরলোপ।
✔️ উত্তর: (খ) স্বরভক্তি।
✍️অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও(প্রশ্নের মান-১):
💡 ১. 'ই', 'উ' ছাড়া অন্য দুটি যৌগিক স্বরের উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: ঐ (অ+ই) এবং ঔ (অ+উ)।
💡 ২. ‘বিপ্রকর্ষ’ কাকে বলে?
✔️ উত্তর: উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দমধ্যস্থ যুক্তব্যঞ্জন ধ্বনিকে ভেঙে তার মধ্যে স্বরধ্বনির আগমনকে বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি বলে।
💡 ৩. মধ্য স্বরলোপের একটি উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: জানালা > জান্লা।
💡 ৪. ‘দহ’ — ধ্বনিতত্ত্বের কোন্ নিয়মে পরিবর্তিত হয়েছে লেখো।
✔️ উত্তর: এটি বিপর্যয় বা বর্ণবিপর্যয়ের উদাহরণ।
💡 ৫. ‘শীতার্ত’ — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: শীত + ঋত।
💡 ৬. ‘অনুনাসিক স্বর’ কী? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় বাতাস মুখ ও নাক উভয় পথ দিয়ে বের হলে তাকে অনুনাসিক স্বর বলে। যেমন— চাঁদ।
💡 ৭. ‘বিপ্রকর্ষ’ কথার অর্থ কী?
✔️ উত্তর: বিপ্রকর্ষ কথার অর্থ হলো ব্যবধান বা দূরত্ব।
💡 ৮. ‘মৃগলোচন’ শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: মৃগ + লোচন।
💡 ৯. স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির দুটি পার্থক্য লেখো।
✔️ উত্তর: (১) স্বরধ্বনি অন্য ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই উচ্চারিত হতে পারে, কিন্তু ব্যঞ্জনধ্বনি স্বরধ্বনির সাহায্য ছাড়া উচ্চারিত হতে পারে না। (২) স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় শ্বাসবায়ু মুখবিবরের কোথাও বাধা পায় না, কিন্তু ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে শ্বাসবায়ু বাধা পায়।
💡 ১০. ‘বিপর্যয়’ কী?
✔️ উত্তর: শব্দের মধ্যে অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর স্থান পরিবর্তন করলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
💡 ১১. সংগীত — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: সম্ + গীত।
💡 ১২. আবিষ্কার — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: আবিঃ + কার।
💡 ১৩. প্রত্যেক — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: প্রতি + এক।
💡 ১৪. শীতার্ত — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: শীত + ঋত।
💡 ১৫. স্বরভক্তি — সংজ্ঞা দাও।
✔️ উত্তর: যুক্তব্যঞ্জনের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমনকে স্বরভক্তি বলে। যেমন গামছা>গা মোছা।
💡 ১৬. অভিশ্রুতি — সংজ্ঞা দাও।
✔️ উত্তর: অপিনিহিতিজাত ই-কার বা উ-কার পাশের স্বরধ্বনির সাথে মিলে গিয়ে যে পরিবর্তন ঘটায় তাকে অভিশ্রুতি বলে।
💡 ১৭. স্বরসংগতি — সংজ্ঞা দাও।
✔️ উত্তর: শব্দের একটি স্বরের প্রভাবে অন্য স্বরের পরিবর্তন ঘটলে তাকে স্বরসংগতি বলে।
💡 ১৮. ন্যূন — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: নি + ঊন।
💡 ১৯. আশ্চর্য — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: আ + চর্য।
💡 ২০. মস্যাধার — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: মসী + আধার।
💡 ২১. দুঃস্থ — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: দুঃ + স্থ।
💡 ২২. ‘যৌগিক স্বরধ্বনি’ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: পাশাপাশি অবস্থিত দুটি স্বরধ্বনি যখন দ্রুত উচ্চারণের ফলে একটি ধ্বনিতে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক স্বর বলে। যেমন— ঐ, ঔ।
💡 ২৩. ‘নাসিক্যীভবন’ বলতে কী বোঝো?
✔️ উত্তর: পদের অন্তস্থ বা মধ্যস্থ নাসিক্য ব্যঞ্জন লোপ পেলে তার পূর্ববর্তী স্বরধ্বনিটি অনুনাসিক হয়ে পড়ে, একেই নাসিক্যীভবন বলে।
💡 ২৪. বিপজ্জনক — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: বিপদ + জনক।
💡 ২৫. স্বেচ্ছা — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: স্ব + ইচ্ছা।
💡 ২৬. ‘যৌগিক স্বরধ্বনি’গুলো লেখো।
✔️ উত্তর: বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি দুটি হলো — ঐ এবং ঔ।
💡 ২৭. ‘নামধাতু’র উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের উত্তর 'আ' প্রত্যয় যোগে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে নামধাতু বলে। যেমন — বেতানো, হাতানো।
💡 ২৮. ‘অপিনিহিতি’ কাকে বলে উদাহরণসহ লেখো।
✔️ উত্তর: শব্দের মধ্যে থাকা ই-কার বা উ-কার নির্দিষ্ট স্থানের আগে উচ্চারিত হওয়ার প্রবণতাকে অপিনিহিতি বলে। যেমন — চার > চাইর, সাধু > সাউধ।
💡 ২৯. শূন্যস্থান পূরণ করো: ____ + ____ = ছাত্র।
✔️ উত্তর: শাস্ + ত্র।
💡 ৩০. ‘অঘোষ ধ্বনি’ কাকে বলে?
✔️ উত্তর: যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী অনুরণিত হয় না, তাদের অঘোষ ধ্বনি বলে।
💡 ৩১. ‘বিলিতি’ শব্দটি কী ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনে সৃষ্ট?
✔️ উত্তর: এটি স্বরসংগতি-র উদাহরণ।
💡 ৩২. নাম অনুসর্গ কাকে বলে?
✔️ উত্তর: যেসব অনুসর্গ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদ থেকে সৃষ্টি হয়েছে, তাদের নাম অনুসর্গ বা শব্দজাত অনুসর্গ বলে।
💡 ৩৩. কৃৎ প্রত্যয় ও তদ্ধিত প্রত্যয়ের মধ্যে একটি পার্থক্য লেখো।
✔️ উত্তর: কৃৎ প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়, কিন্তু তদ্ধিত প্রত্যয় শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়।
💡 ৩৪. ‘র’ ও ‘ল’ এই দুটি কী ধরনের ব্যঞ্জন?
✔️ উত্তর: ‘র’ হলো কম্পিত ব্যঞ্জন এবং ‘ল’ হলো পার্শ্বিক ব্যঞ্জন।
💡 ৩৫. ‘সমাক্ষর লোপ’ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: শব্দের মধ্যে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি সমধ্বনির একটি লোপ পেলে তাকে সমাক্ষর লোপ বলে। যেমন — বড়দিদি > বড়দি।
💡 ৩৬. ‘মাউহা’ ও ‘হরষ’ শব্দটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন্ নিয়ম মেনেছে?
✔️ উত্তর: মাউহা — ব্যঞ্জনাগম এবং হরষ — স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ।
💡 ৩৭. ‘ধ্বনি বিপর্যয়’ কী? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: শব্দের মধ্যে অবস্থিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পর স্থান পরিবর্তন করলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে।
💡 ৩৮. সমীভবনের বিপরীত রীতির ধ্বনি পরিবর্তন কী? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: সমীভবনের বিপরীত রীতি হলো বিষমীভবন। যেমন — লাল > নাল।
💡 ৩৯. একটি কণ্ঠনালীয় ধ্বনির উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: হ।
💡 ৪০. সমাক্ষর লোপ কী? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: পাশাপাশি দুটি সমোচ্চারিত ধ্বনির একটির লোপ পাওয়াকে সমাক্ষর লোপ বলে। যেমন — ছোটকাকা > ছোটকা।
💡 ৪১. ‘অপিনিহিতি’ বলতে কী বোঝায়? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: পরের ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়া। যেমন — করিয়া > কইর্যা।
💡 ৪২. ‘সমীভবন’ কাকে বলে? এটি কয় প্রকার ও কী কী?
✔️ উত্তর: শব্দমধ্যস্থ দুটি অসম ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করলে তাকে সমীভবন বলে। এটি তিন প্রকার — প্রগত, পরাগত ও অন্যোন্য।
💡 ৪৩. অল্পপ্রাণ বর্ণ ও মহাপ্রাণ বর্ণ বলতে বর্গের কোন্ কোন্ বর্ণকে বোঝায়?
✔️ উত্তর: বর্গের প্রথম ও তৃতীয় বর্ণ অল্পপ্রাণ এবং দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ মহাপ্রাণ।
💡 ৪৪. প্লুতস্বর বলতে কী বোঝায় উদাহরণসহ লেখো।
✔️ উত্তর: কোনো স্বরকে টেনে দীর্ঘ করে উচ্চারণ করলে তাকে প্লুতস্বর বলে। যেমন — ওরে যদু-উ-উ-উ হে!
💡 ৪৫. মহত্তর — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: মহৎ + তর।
💡 ৪৬. উজ্জীবিত — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: উৎ + জীবিত।
💡 ৪৭. পুষ্পাঞ্জলি — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: পুষ্প + অঞ্জলি।
💡 ৪৮. গোষ্পদ — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: গো + পদ।
💡 ৪৯. ততোধিক — সন্ধিবিচ্ছেদ করো।
✔️ উত্তর: ততঃ + অধিক।
💡 ৫০. ‘প্লুতস্বর’ কাকে বলে?
✔️ উত্তর: গান গাওয়ার সময় বা দূর থেকে কাউকে ডাকার সময় কোনো স্বরধ্বনিকে টেনে দীর্ঘ করে উচ্চারণ করাকে প্লুতস্বর বলে।
💡 ৫১. সন্ধিবিচ্ছেদ করো — নায়ক
✔️ উত্তর: নৈ + অক।
💡 ৫২. সন্ধিবিচ্ছেদ করো — আশ্চর্য
✔️ উত্তর: আ + চর্য।
💡 ৫৩. সন্ধিবিচ্ছেদ করো — অন্বেষণ
✔️ উত্তর: অনু + এষণ।
💡 ৫৪. সন্ধিবিচ্ছেদ করো — নীরোগ
✔️ উত্তর: নিঃ + রোগ।
💡 ৫৫. স্বরভক্তি কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: যুক্তব্যঞ্জনের মাঝখানে স্বরধ্বনি আসা। যেমন— প্রীতি > পিরীতি।
💡 ৫৬. সমীভবন কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: শব্দের মধ্যে দুটি আলাদা ব্যঞ্জনধ্বনি পরস্পরের প্রভাবে এক হয়ে যাওয়া। যেমন— গল্প > গপ্প।
💡 ৫৭. অপিনিহিতি কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: শব্দের শেষে থাকা ই-কার বা উ-কার আগে উচ্চারিত হওয়া। যেমন— রাখিয়া > রাইখ্যা।
💡 ৫৮. বর্ণবিপর্যয় কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: শব্দের মধ্যে থাকা দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির স্থান পরিবর্তন। যেমন— রিকশা > রিশকা।
💡 ৫৯. ‘স্বরভক্তি’ কথাটির অর্থ কী?
✔️ উত্তর: স্বরবর্ণের দ্বারা বিভাজন বা ব্যবধান।
💡 ৬০. ‘বিষমীভবন’ হয়েছে এমন একটি উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: লাল > নাল।
💡 ৬১. হ্রদ > দহ — কী ধরনের পরিবর্তনের উদাহরণ?
✔️ উত্তর: এটি ধ্বনি বিপর্যয় বা বর্ণবিপর্যয়ের উদাহরণ।
💡 ৬২. ‘সন্ধক্ষর’ বলতে কী বোঝো? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি অক্ষরে পরিণত হলে তাকে সন্ধক্ষর বা যৌগিক স্বর বলে। যেমন— ঐ (অ+ই)।
💡 ৬৩. বিভক্তি ও অনুসর্গের মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
✔️ উত্তর: (১) বিভক্তির নিজস্ব কোনো অর্থ নেই, কিন্তু অনুসর্গের নিজস্ব অর্থ আছে। (২) বিভক্তি শব্দের সাথে জুড়ে বসে, অনুসর্গ শব্দের পরে আলাদাভাবে বসে।
💡 ৬৪. ‘ঘোষীভবন’ কাকে বলে? দৃষ্টান্ত দাও।
✔️ উত্তর: অঘোষ ধ্বনি ঘোষ ধ্বনিতে পরিণত হলে তাকে ঘোষীভবন বলে। যেমন— কাক > কাগু।
💡 ৬৫. উপসর্গ কাকে বলে? দৃষ্টান্ত দাও।
✔️ উত্তর: যেসব অব্যয় ধাতুর আগে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে। যেমন— প্র, পরা, অপ (প্র + হার = প্রহার)।
💡 ৬৬. কৃৎ ও তদ্ধিত শব্দ কাকে বলে?
✔️ উত্তর: ধাতুর সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে শব্দ গঠিত হয় তা কৃৎ শব্দ এবং শব্দের সাথে তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে শব্দ হয় তা তদ্ধিত শব্দ।
💡 ৬৭. স্বরভক্তি কাকে বলে? দৃষ্টান্ত দাও।
✔️ উত্তর: উচ্চারণের সুবিধার জন্য যুক্তব্যঞ্জনকে ভেঙে স্বরধ্বনি আনা। যেমন— শ্রী > ছিরি।
💡 ৬৮. ‘দ্বি-স্বর’ বা ‘যুগ্মস্বর’ কী? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি মিলে যখন একটি স্বরধ্বনির মতো কাজ করে। যেমন— ঐ, ঔ।
💡 ৬৯. স্বরসংগতি কয় প্রকার ও কী কী? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: স্বরসংগতি প্রধানত তিন প্রকার— প্রগত (দেশি > দিশি), পরাগত (বিলাতি > বিলিতি) ও অন্যোন্য (মোজা > মুজো)।
💡 ৭০. কন্যা > কইন্যা > কনে — ধ্বনি পরিবর্তনের কোন রীতি অনুসৃত হয়েছে?
✔️ উত্তর: এখানে প্রথমে অপিনিহিতি এবং শেষে অভিশ্রুতি-র রীতি অনুসৃত হয়েছে।
💡 ৭১. ‘স্বরভক্তি’ শব্দটির অর্থ কী? ব্যাকরণের কোন প্রসঙ্গে এটি ব্যবহৃত হয়?
✔️ উত্তর: স্বরভক্তি মানে স্বরের সাহায্যে বিভাজন। এটি ধ্বনি পরিবর্তন বা স্বরাগম প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ— প্রীতি > পিরীতি, গ্লাস > গেলাস।
💡 ৭২. ‘প্লুতস্বর’ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: গান গাইতে বা কাউকে ডাকার সময় দীর্ঘ করা স্বরধ্বনি। যেমন— মা-আ-আ!।
💡 ৭৩. ধ্বনি ও বর্ণের মধ্যে পার্থক্য লেখো।
✔️ উত্তর: ধ্বনি কানে শোনা যায় (শ্রুতিনির্ভর), আর বর্ণ চোখে দেখা যায় (দৃষ্টিনির্ভর) বা ধ্বনির লিখিত রূপ।
💡 ৭৪. শব্দের আদিতে স্বরাগম এর একটি উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: স্কুল > ইশকুল।
💡 ৭৫. ‘অভিশ্রুতি’ কাকে বলে? উদাহরণ দাও।
✔️ উত্তর: অপিনিহিতিজাত ই/উ-কার পাশের স্বরের সাথে মিলে গিয়ে পরিবর্তন ঘটালে। যেমন— করিয়া > করে।
💡 ৭৬. অলাবু > লাউ — এটি ধ্বনি পরিবর্তনের কোন্ রীতির দৃষ্টান্ত?
✔️ উত্তর: এটি ধ্বনি লোপ (আদ্যস্বরলোপ ও মধ্যব্যঞ্জনলোপ)-এর দৃষ্টান্ত।
💡 ৭৭. ‘ল’ কোন্ ধরনের ধ্বনি?
✔️ উত্তর: ‘ল’ হলো একটি পার্শ্বিক ধ্বনি।
👉Our WhatsApp Channel:লেখাপড়া Online.
<<<<<<<<<<<<<🌹সমাপ্ত🌹>>>>>>>>>>>

